মাদারীপুরের কালকিনি পৌর এলাকার গোপালপুর দারুসসুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসার পাশে হাতবোমাসদৃশ একটি বস্তু বিস্ফোরণে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে আবিদা আক্তার (৮) নামে এক শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত অন্য শিক্ষার্থীরা হলো—জান্নাত (৯), মিনহা (১০) ও মাইমুনা (৯)। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনির স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালে নিয়ে যান।
বলসদৃশ বস্তু নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মাদ্রাসার পাশে ইমন সরদারের বসতঘরের সামনে একটি বলসদৃশ বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়। শিশুরা সেটি নিয়ে খেলতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চার শিক্ষার্থী আহত হয়।
বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। খবর পেয়ে কালকিনি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
বিস্ফোরণে আহত আবিদা আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজুর রহমান শিক্ষার্থী আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কীভাবে এলো বিস্ফোরক, তদন্তে পুলিশ
মাদ্রাসার পাশের বাড়ির বাসিন্দা ইমন সরদার জানিয়েছেন, তার ঘরের সামনে কীভাবে ওই বিস্ফোরক বা হাতবোমাসদৃশ বস্তুটি এলো, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে বিস্ফোরকটি কে বা কারা রেখেছিল এবং এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ ঘটনায় কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না।
আহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য
ঘটনার প্রাথমিক সংবাদে আহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম চার শিক্ষার্থী আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। আবার কয়েকটি পরবর্তী প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা পাঁচ বলা হয়েছে।
তাই পুলিশ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চূড়ান্ত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত “অন্তত ৪ শিক্ষার্থী আহত” বলা হচ্ছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
মাদারীপুরের কালকিনি পৌর এলাকার গোপালপুর দারুসসুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসার পাশে হাতবোমাসদৃশ একটি বস্তু বিস্ফোরণে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে আবিদা আক্তার (৮) নামে এক শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত অন্য শিক্ষার্থীরা হলো—জান্নাত (৯), মিনহা (১০) ও মাইমুনা (৯)। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনির স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালে নিয়ে যান।
বলসদৃশ বস্তু নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মাদ্রাসার পাশে ইমন সরদারের বসতঘরের সামনে একটি বলসদৃশ বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়। শিশুরা সেটি নিয়ে খেলতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চার শিক্ষার্থী আহত হয়।
বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। খবর পেয়ে কালকিনি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
বিস্ফোরণে আহত আবিদা আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজুর রহমান শিক্ষার্থী আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কীভাবে এলো বিস্ফোরক, তদন্তে পুলিশ
মাদ্রাসার পাশের বাড়ির বাসিন্দা ইমন সরদার জানিয়েছেন, তার ঘরের সামনে কীভাবে ওই বিস্ফোরক বা হাতবোমাসদৃশ বস্তুটি এলো, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে বিস্ফোরকটি কে বা কারা রেখেছিল এবং এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ ঘটনায় কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না।
আহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য
ঘটনার প্রাথমিক সংবাদে আহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম চার শিক্ষার্থী আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। আবার কয়েকটি পরবর্তী প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা পাঁচ বলা হয়েছে।
তাই পুলিশ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চূড়ান্ত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত “অন্তত ৪ শিক্ষার্থী আহত” বলা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন