ঘটনার নয় বছর পূর্তিতে মিয়ানমার জানিয়েছে, রাখাইনের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
মিয়ানমার সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তথ্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার মানুষের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
মিয়ানমার সরকারের দাবি, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পরিপ্রেক্ষিতেই রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু করা হয়।
এদিকে বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রবেশের তথ্যও অস্বীকার করেছে মিয়ানমার। দেশটির দাবি, বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
ঘটনার নয় বছর পূর্তিতে মিয়ানমার জানিয়েছে, রাখাইনের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
মিয়ানমার সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তথ্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার মানুষের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
মিয়ানমার সরকারের দাবি, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পরিপ্রেক্ষিতেই রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু করা হয়।
এদিকে বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রবেশের তথ্যও অস্বীকার করেছে মিয়ানমার। দেশটির দাবি, বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট।

আপনার মতামত লিখুন