সোমবার (১৭ আগস্ট) ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি জামাল মোল্লা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মধুখালী উপজেলার মাবকান্দি পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত মোমিন মোল্লার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশু নতুন জামা আনতে দর্জির বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে দর্জিকে না পেয়ে শিশুটি অপেক্ষা করছিল। এ সময় জামাল মোল্লা চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়।
শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার পর জামাল মোল্লা কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পরদিন শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মধুখালী থানায় মামলা করেন। প্রায় চার মাস আগে জামাল মোল্লা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিয়েছেন। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (১৭ আগস্ট) ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি জামাল মোল্লা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মধুখালী উপজেলার মাবকান্দি পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত মোমিন মোল্লার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশু নতুন জামা আনতে দর্জির বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে দর্জিকে না পেয়ে শিশুটি অপেক্ষা করছিল। এ সময় জামাল মোল্লা চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়।
শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার পর জামাল মোল্লা কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পরদিন শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মধুখালী থানায় মামলা করেন। প্রায় চার মাস আগে জামাল মোল্লা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিয়েছেন। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন