নওগাঁর সাপাহারের কৃতী সন্তান ও সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়াকে দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসরে যান।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁর সাপাহার উপজেলার খঞ্জনপুর তালকুড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এম এ সামাদও ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে তার আইন পেশায় যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
২০০৩ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
সাপাহারের কৃতী সন্তান এ কে এম আসাদুজ্জামান দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় নওগাঁজুড়ে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা তার এই নিয়োগকে সাপাহার তথা নওগাঁবাসীর জন্য গৌরব ও সম্মানের বিষয় হিসেবে দেখছেন।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর সাপাহারের কৃতী সন্তান ও সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়াকে দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসরে যান।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁর সাপাহার উপজেলার খঞ্জনপুর তালকুড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এম এ সামাদও ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে তার আইন পেশায় যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
২০০৩ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
সাপাহারের কৃতী সন্তান এ কে এম আসাদুজ্জামান দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় নওগাঁজুড়ে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা তার এই নিয়োগকে সাপাহার তথা নওগাঁবাসীর জন্য গৌরব ও সম্মানের বিষয় হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন