রাজধানীর উত্তরার পশ্চিম থানা এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের পাঁচতলা থেকে পড়ে আব্দুল মোমিন (১৯) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মোমিন নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের চকবিষ্ণপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি নিতপুর মডেল সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সহায়তার জন্য মোমিন ঢাকায় গিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তার ভাই মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাঁচতলায় মাচার ওপর দাঁড়িয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন মোমিন। কাজের একপর্যায়ে মাচাটি ভেঙে গেলে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোমিনের অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও নিজ গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।
বর্তমানে মরদেহ ঢাকা থেকে নিজ গ্রামে নেওয়ার জন্য পোরশা থানার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে পরিবার।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর উত্তরার পশ্চিম থানা এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের পাঁচতলা থেকে পড়ে আব্দুল মোমিন (১৯) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মোমিন নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের চকবিষ্ণপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি নিতপুর মডেল সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সহায়তার জন্য মোমিন ঢাকায় গিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তার ভাই মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাঁচতলায় মাচার ওপর দাঁড়িয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন মোমিন। কাজের একপর্যায়ে মাচাটি ভেঙে গেলে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোমিনের অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও নিজ গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।
বর্তমানে মরদেহ ঢাকা থেকে নিজ গ্রামে নেওয়ার জন্য পোরশা থানার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন