বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, “মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই।”
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে বাংলাদেশ যোগ দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে এবং বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অগ্রগতি বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মাদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির অন্যতম প্রধান নীতি অনুযায়ী, সদস্য তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জানিয়েছে, চুক্তিটি প্রতিরক্ষামূলক এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, “মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই।”
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে বাংলাদেশ যোগ দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে এবং বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অগ্রগতি বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মাদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির অন্যতম প্রধান নীতি অনুযায়ী, সদস্য তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জানিয়েছে, চুক্তিটি প্রতিরক্ষামূলক এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

আপনার মতামত লিখুন