মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হওয়া দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে তিনি তৃতীয়।
২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৫ মাসের কিছু বেশি সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ইসমাইল সাবরি। দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তিনি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় ও বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণের বার, রুপাসহ বিভিন্ন সম্পদ তিনি গোপন করেছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
ইসমাইল সাবরির আইনজীবী আমের হামজা আরশাদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মূল অভিযোগ হলো—নির্দিষ্ট কিছু সম্পদের তথ্য প্রকাশের জন্য দেওয়া সরকারি নোটিশ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তারা অভিযোগটি পর্যালোচনা করবেন বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগটি আইনগতভাবে যথাযথ কি না, তা নিয়েও তাদের কিছু প্রশ্ন রয়েছে বলে জানান আইনজীবী।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কুয়ালালামপুরের একটি নিম্ন আদালতে ইসমাইল সাবরি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। পরে ৩ লাখ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (প্রায় ৭৪ হাজার ৫৩৪ মার্কিন ডলার) জামিনে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
দোষী প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং ১ লাখ রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন সংস্থা গত বছরের মার্চে জানিয়েছিল, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ইসমাইল সাবরিকে সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে তিনি সম্পদের ঘোষণা জমা দেন।
এর আগে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা প্রায় ৪ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় প্রায় ১৭ কোটি রিঙ্গিত নগদ অর্থ এবং ১৬ কেজি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি।
পেশায় আইনজীবী ইসমাইল সাবরি দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনজন প্রধানমন্ত্রীর অধীনে গ্রামীণ ও আঞ্চলিক উন্নয়ন, কৃষি এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হওয়া দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে তিনি তৃতীয়।
২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৫ মাসের কিছু বেশি সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ইসমাইল সাবরি। দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তিনি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় ও বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণের বার, রুপাসহ বিভিন্ন সম্পদ তিনি গোপন করেছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
ইসমাইল সাবরির আইনজীবী আমের হামজা আরশাদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মূল অভিযোগ হলো—নির্দিষ্ট কিছু সম্পদের তথ্য প্রকাশের জন্য দেওয়া সরকারি নোটিশ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তারা অভিযোগটি পর্যালোচনা করবেন বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগটি আইনগতভাবে যথাযথ কি না, তা নিয়েও তাদের কিছু প্রশ্ন রয়েছে বলে জানান আইনজীবী।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কুয়ালালামপুরের একটি নিম্ন আদালতে ইসমাইল সাবরি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। পরে ৩ লাখ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (প্রায় ৭৪ হাজার ৫৩৪ মার্কিন ডলার) জামিনে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
দোষী প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং ১ লাখ রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন সংস্থা গত বছরের মার্চে জানিয়েছিল, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ইসমাইল সাবরিকে সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে তিনি সম্পদের ঘোষণা জমা দেন।
এর আগে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা প্রায় ৪ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় প্রায় ১৭ কোটি রিঙ্গিত নগদ অর্থ এবং ১৬ কেজি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি।
পেশায় আইনজীবী ইসমাইল সাবরি দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনজন প্রধানমন্ত্রীর অধীনে গ্রামীণ ও আঞ্চলিক উন্নয়ন, কৃষি এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন