কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। তাঁর বাবার নাম কাজী ফকির আহমেদ এবং মায়ের নাম জাহেদা খাতুন।
বাংলা কবিতায় নজরুলের আবির্ভাব ছিল অনেকটা আকস্মিক। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সৃষ্টিশীলতা বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত ‘বল বীর, বল উন্নত মম শির’ কিংবা শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে লেখা বিদ্রোহী কবিতার পঙ্ক্তি আজও পাঠক-শ্রোতার মধ্যে গভীর প্রভাব সৃষ্টি করে।
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত নজরুল ছিলেন একই সঙ্গে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। বৈচিত্র্যময় রাগ-রাগিনী সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি বাংলা সংগীতকে বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর কবিতা, গান ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণের সৃষ্টি করে। তাঁর সৃষ্টিশীলতা মানুষকে যুগের পর যুগ শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মুক্তির পথ দেখিয়ে আসছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও তাঁর কবিতা ও গান প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ৭৭ বছর বেঁচে ছিলেন। জন্মের পর ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। এর মধ্যে সাহিত্যচর্চার সময়কাল ছিল মাত্র ২৪ বছর।
১৯৭২ সালের ২৪ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন। পরে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে এবং জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই অবস্থান করেন।
কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল ৭৭ বছর হলেও ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দীর্ঘ ৩৪ বছর অসুস্থ ও নির্বাক জীবন কাটিয়ে ১৯৭৬ সালের ২৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।
সূত্র: ইনসাফ 24

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। তাঁর বাবার নাম কাজী ফকির আহমেদ এবং মায়ের নাম জাহেদা খাতুন।
বাংলা কবিতায় নজরুলের আবির্ভাব ছিল অনেকটা আকস্মিক। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সৃষ্টিশীলতা বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত ‘বল বীর, বল উন্নত মম শির’ কিংবা শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে লেখা বিদ্রোহী কবিতার পঙ্ক্তি আজও পাঠক-শ্রোতার মধ্যে গভীর প্রভাব সৃষ্টি করে।
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত নজরুল ছিলেন একই সঙ্গে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। বৈচিত্র্যময় রাগ-রাগিনী সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি বাংলা সংগীতকে বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর কবিতা, গান ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণের সৃষ্টি করে। তাঁর সৃষ্টিশীলতা মানুষকে যুগের পর যুগ শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মুক্তির পথ দেখিয়ে আসছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও তাঁর কবিতা ও গান প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ৭৭ বছর বেঁচে ছিলেন। জন্মের পর ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। এর মধ্যে সাহিত্যচর্চার সময়কাল ছিল মাত্র ২৪ বছর।
১৯৭২ সালের ২৪ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন। পরে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে এবং জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই অবস্থান করেন।
কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল ৭৭ বছর হলেও ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দীর্ঘ ৩৪ বছর অসুস্থ ও নির্বাক জীবন কাটিয়ে ১৯৭৬ সালের ২৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।
সূত্র: ইনসাফ 24

আপনার মতামত লিখুন