তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির (বিওএফ) সম্প্রসারণের ফলে দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারীতে জলিল টেক্সটাইল মিল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
পাটমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি উৎপাদনে অনেক দূর এগিয়েছে। বাংলাদেশের জন্যও এই খাতে বড় ধরনের সুযোগ রয়েছে। অন্য দেশগুলোর অর্জিত জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি নিজস্ব গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন দশকে বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সংঘাতগুলো সেই পরিবর্তনকে আরও স্পষ্ট করেছে। বিশেষ করে তুলনামূলক কম ব্যয়ে উদ্ভাবন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তার বড় উদাহরণ।
মন্ত্রী আরও বলেন, ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যুদ্ধের ধরন ও গতিপ্রকৃতিতে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম মজুত রাখার প্রচলিত ধারণাতেও পরিবর্তন এসেছে। তাই সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনমুখী করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির সম্প্রসারণকে কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করলে হবে না। এ খাতে উল্লেখযোগ্য রফতানি সম্ভাবনাও রয়েছে। যথাযথ পরিকল্পনা, গবেষণা, প্রযুক্তি এবং দক্ষ জনবল নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা পণ্য রফতানির সুযোগ তৈরি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির সাফল্য শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিগত ও শিল্প সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানও আরও শক্তিশালী হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান প্রমুখ।
সূত্র: ইনসাফ 24

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির (বিওএফ) সম্প্রসারণের ফলে দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারীতে জলিল টেক্সটাইল মিল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
পাটমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি উৎপাদনে অনেক দূর এগিয়েছে। বাংলাদেশের জন্যও এই খাতে বড় ধরনের সুযোগ রয়েছে। অন্য দেশগুলোর অর্জিত জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি নিজস্ব গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন দশকে বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সংঘাতগুলো সেই পরিবর্তনকে আরও স্পষ্ট করেছে। বিশেষ করে তুলনামূলক কম ব্যয়ে উদ্ভাবন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তার বড় উদাহরণ।
মন্ত্রী আরও বলেন, ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যুদ্ধের ধরন ও গতিপ্রকৃতিতে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম মজুত রাখার প্রচলিত ধারণাতেও পরিবর্তন এসেছে। তাই সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনমুখী করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির সম্প্রসারণকে কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করলে হবে না। এ খাতে উল্লেখযোগ্য রফতানি সম্ভাবনাও রয়েছে। যথাযথ পরিকল্পনা, গবেষণা, প্রযুক্তি এবং দক্ষ জনবল নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা পণ্য রফতানির সুযোগ তৈরি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির সাফল্য শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিগত ও শিল্প সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানও আরও শক্তিশালী হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান প্রমুখ।
সূত্র: ইনসাফ 24

আপনার মতামত লিখুন