শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম নাতসিভ নেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিশরের পাশাপাশি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছেও রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে অথবা বিক্রির বিষয়টি বিবেচনা করছে তুরস্ক। এসব দেশকে সম্ভাব্য ক্রেতা হিসেবেও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির ভাষ্য, এটি একটি জটিল কৌশলগত পদক্ষেপ। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও ইসরাইলের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের এস-৪০০ বিক্রির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো মার্কিন এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে পুনরায় যুক্ত হওয়ার দেশটির প্রবল আগ্রহ।
তুরস্ক রাশিয়ার এস-৪০০ কেনার পর ২০১৯ সালে ওয়াশিংটন আঙ্কারাকে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে সময় আশঙ্কা করা হয়েছিল, মস্কো এস-৪০০ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর ওয়াশিংটনের বিভিন্ন ইঙ্গিত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তুরস্কের ভূখণ্ড থেকে এস-৪০০ সরিয়ে নেওয়া হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। জুলাইয়ে এরদোগান ও ট্রাম্পের বৈঠকের পর তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং দেশটির কাছে এফ-৩৫ বিক্রির বিষয়টি বিবেচনা করার কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃতীয় কোনো দেশের কাছে এস-৪০০ বিক্রি করা হলে তুরস্ককে ব্যয়বহুল এই ব্যবস্থা ধ্বংস করতে হবে না এবং একই সঙ্গে মস্কোকেও অসন্তুষ্ট না করে বিষয়টির সমাধান করা সম্ভব হবে। তবে কোন দেশকে ক্রেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে রাশিয়ার অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এ বিষয়ে রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে যোগাযোগ চলছে বলে ক্রেমলিনও জানিয়েছে।
মিশর দীর্ঘদিন ধরে কোনো একটি বড় শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এড়াতে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা বাড়ানোর নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশটির কাছে এরই মধ্যে এস-৩০০ভিএমসহ পুরোনো প্রজন্মের রাশিয়ান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এস-৪০০কে মিশরের বর্তমান প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করা প্রযুক্তিগত ও সরবরাহের দিক থেকে সম্ভবপর বলে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে মিশরের কাছে এস-৪০০ হস্তান্তরের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি। প্রকাশিত প্রতিবেদনে এটিকে সম্ভাব্য একটি বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জুলাইয়ে এস-৪০০ নিয়ে কাজ অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছিল। তবে সম্ভাব্য বিক্রির বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম নাতসিভ নেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিশরের পাশাপাশি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছেও রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে অথবা বিক্রির বিষয়টি বিবেচনা করছে তুরস্ক। এসব দেশকে সম্ভাব্য ক্রেতা হিসেবেও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির ভাষ্য, এটি একটি জটিল কৌশলগত পদক্ষেপ। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও ইসরাইলের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের এস-৪০০ বিক্রির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো মার্কিন এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে পুনরায় যুক্ত হওয়ার দেশটির প্রবল আগ্রহ।
তুরস্ক রাশিয়ার এস-৪০০ কেনার পর ২০১৯ সালে ওয়াশিংটন আঙ্কারাকে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে সময় আশঙ্কা করা হয়েছিল, মস্কো এস-৪০০ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর ওয়াশিংটনের বিভিন্ন ইঙ্গিত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তুরস্কের ভূখণ্ড থেকে এস-৪০০ সরিয়ে নেওয়া হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। জুলাইয়ে এরদোগান ও ট্রাম্পের বৈঠকের পর তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং দেশটির কাছে এফ-৩৫ বিক্রির বিষয়টি বিবেচনা করার কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃতীয় কোনো দেশের কাছে এস-৪০০ বিক্রি করা হলে তুরস্ককে ব্যয়বহুল এই ব্যবস্থা ধ্বংস করতে হবে না এবং একই সঙ্গে মস্কোকেও অসন্তুষ্ট না করে বিষয়টির সমাধান করা সম্ভব হবে। তবে কোন দেশকে ক্রেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে রাশিয়ার অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এ বিষয়ে রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে যোগাযোগ চলছে বলে ক্রেমলিনও জানিয়েছে।
মিশর দীর্ঘদিন ধরে কোনো একটি বড় শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এড়াতে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা বাড়ানোর নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশটির কাছে এরই মধ্যে এস-৩০০ভিএমসহ পুরোনো প্রজন্মের রাশিয়ান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এস-৪০০কে মিশরের বর্তমান প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করা প্রযুক্তিগত ও সরবরাহের দিক থেকে সম্ভবপর বলে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে মিশরের কাছে এস-৪০০ হস্তান্তরের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি। প্রকাশিত প্রতিবেদনে এটিকে সম্ভাব্য একটি বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জুলাইয়ে এস-৪০০ নিয়ে কাজ অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছিল। তবে সম্ভাব্য বিক্রির বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

আপনার মতামত লিখুন