তিনি বলেন, গবেষণা সম্মেলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও গবেষকদের কাজ একসময় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীরা যাতে আরও ভালোভাবে গবেষণা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাবরেটরি সুবিধা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন।
‘বৈশ্বিক প্রভাবের জন্য চিন্তার মিলন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো গবেষকদের এ মিলনমেলার আয়োজন করে জিএসটিইউ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল।
সম্মেলনে সাতটি ডিসিপ্লিনে দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের জমা দেওয়া ১৩৬টি গবেষণাপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর সম্মেলনে ৬৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। এসব গবেষণাপত্রের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করা হয়।
উপাচার্য আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কষ্ট করে গবেষণা সম্মেলনে অংশ নেওয়া সবাইকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তাঁর মতে, গোবিপ্রবির জন্য এটি একটি বড় অর্জন। এর মাধ্যমে বৃহৎ পরিসরে গবেষকদের মিলনমেলার সূচনা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহ দিতে সাতটি ডিসিপ্লিনের সেরা গবেষকদের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন উপাচার্য।
গত শুক্রবার শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, কৃষি, ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞানসহ সাতটি স্বতন্ত্র সেশনে দেশের স্বনামধন্য গবেষক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এসব সেশনে তারা গবেষণা, চিন্তা ও বিভিন্ন সমাধানের বিষয় তুলে ধরেন।
সম্মেলনের বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গোবিপ্রবির স্বনামধন্য গবেষকেরা।
সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান জানান, বিভিন্ন শাখার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গিকে একই মঞ্চে নিয়ে আসার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, টেকসই প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নৈতিকতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংকটের বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করাই ছিল সম্মেলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
তিনি বলেন, গবেষণা সম্মেলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও গবেষকদের কাজ একসময় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীরা যাতে আরও ভালোভাবে গবেষণা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাবরেটরি সুবিধা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন।
‘বৈশ্বিক প্রভাবের জন্য চিন্তার মিলন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো গবেষকদের এ মিলনমেলার আয়োজন করে জিএসটিইউ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল।
সম্মেলনে সাতটি ডিসিপ্লিনে দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের জমা দেওয়া ১৩৬টি গবেষণাপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর সম্মেলনে ৬৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। এসব গবেষণাপত্রের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করা হয়।
উপাচার্য আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কষ্ট করে গবেষণা সম্মেলনে অংশ নেওয়া সবাইকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তাঁর মতে, গোবিপ্রবির জন্য এটি একটি বড় অর্জন। এর মাধ্যমে বৃহৎ পরিসরে গবেষকদের মিলনমেলার সূচনা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহ দিতে সাতটি ডিসিপ্লিনের সেরা গবেষকদের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন উপাচার্য।
গত শুক্রবার শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, কৃষি, ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞানসহ সাতটি স্বতন্ত্র সেশনে দেশের স্বনামধন্য গবেষক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এসব সেশনে তারা গবেষণা, চিন্তা ও বিভিন্ন সমাধানের বিষয় তুলে ধরেন।
সম্মেলনের বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গোবিপ্রবির স্বনামধন্য গবেষকেরা।
সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান জানান, বিভিন্ন শাখার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গিকে একই মঞ্চে নিয়ে আসার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, টেকসই প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নৈতিকতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংকটের বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করাই ছিল সম্মেলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

আপনার মতামত লিখুন