মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পরিকল্পনাটি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প তাঁর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে অন্তত দুই দফা বৈঠক করে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা এবং আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আরও দুই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এবং ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে মধ্যপ্রাচ্য নীতির কাঠামো নির্ধারণে এই কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে এ কৌশল তৈরির কাজ করছেন।
বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই কৌশলের তিনটি প্রধান দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রকে জামিনদার বা গ্যারান্টর হিসেবে রেখে ইরানকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে মার্কিন মিত্রদের নিয়ে একটি আঞ্চলিক জোট গঠন করা।
দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ সুরক্ষিত করা, ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তি সম্পাদন এবং ইসরায়েল-লেবানন চুক্তি বাস্তবায়ন করা।
তৃতীয়ত, আব্রাহাম চুক্তির পরিধি সম্প্রসারণের পাশাপাশি সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি সম্পন্ন করা।
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হচ্ছে ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত একগুচ্ছ চুক্তি।
সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের পর ইসরায়েলে যে নতুন সরকারই গঠিত হোক, ট্রাম্প প্রশাসন আশা করছে যুদ্ধ-পরবর্তী এই কৌশল বাস্তবায়নে সেই সরকার সহযোগিতা করতে আগ্রহী ও সক্ষম হবে।
তবে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেছেন, ইসরায়েলের নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, এমনকি সেখানে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হলেও, ট্রাম্প এই কৌশল বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগ করবেন।
প্রক্রিয়াটির সঙ্গে অবহিত একটি সূত্র জানিয়েছে, কৌশলটির খসড়া প্রস্তুত করতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হবে।
সূত্রটির ভাষায়, ‘তারা এটি রান্না করছে, তবে এটি এখনও রান্না হয়নি।’
সূত্র: গালফ নিউজ, অ্যাক্সিওস

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পরিকল্পনাটি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প তাঁর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে অন্তত দুই দফা বৈঠক করে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা এবং আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আরও দুই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এবং ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে মধ্যপ্রাচ্য নীতির কাঠামো নির্ধারণে এই কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে এ কৌশল তৈরির কাজ করছেন।
বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই কৌশলের তিনটি প্রধান দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রকে জামিনদার বা গ্যারান্টর হিসেবে রেখে ইরানকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে মার্কিন মিত্রদের নিয়ে একটি আঞ্চলিক জোট গঠন করা।
দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ সুরক্ষিত করা, ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তি সম্পাদন এবং ইসরায়েল-লেবানন চুক্তি বাস্তবায়ন করা।
তৃতীয়ত, আব্রাহাম চুক্তির পরিধি সম্প্রসারণের পাশাপাশি সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি সম্পন্ন করা।
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হচ্ছে ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত একগুচ্ছ চুক্তি।
সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের পর ইসরায়েলে যে নতুন সরকারই গঠিত হোক, ট্রাম্প প্রশাসন আশা করছে যুদ্ধ-পরবর্তী এই কৌশল বাস্তবায়নে সেই সরকার সহযোগিতা করতে আগ্রহী ও সক্ষম হবে।
তবে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেছেন, ইসরায়েলের নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, এমনকি সেখানে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হলেও, ট্রাম্প এই কৌশল বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগ করবেন।
প্রক্রিয়াটির সঙ্গে অবহিত একটি সূত্র জানিয়েছে, কৌশলটির খসড়া প্রস্তুত করতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হবে।
সূত্রটির ভাষায়, ‘তারা এটি রান্না করছে, তবে এটি এখনও রান্না হয়নি।’
সূত্র: গালফ নিউজ, অ্যাক্সিওস

আপনার মতামত লিখুন