মাদক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী ও তিন জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ১০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সারিয়াকান্দি থানার একটি অভিযানিক দল উপজেলার দিঘলকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী মো. বাদল মিয়া (৩০)-কে আটক করে। তিনি দিঘলকান্দি গ্রামের মো. বাবুল মন্ডলের ছেলে।
অন্যদিকে, চন্দনবাইশা তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানিক দল মাদকবিরোধী অভিযানে মো. নুরুল ইসলাম (৪৫)-কে আটক করে। তিনি গাবতলী থানার পাইকড়তলী (গেদুরভিটা) এলাকার মৃত দুলু মন্ডলের ছেলে।
এ ছাড়া সারিয়াকান্দি থানার ওয়ারেন্ট তামিল অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি হিসেবে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন—মো. নায়েব আলী, পিতা-মৃত মফিজ উদ্দিন প্রাং, সাং-কড়িতলা মাঠপাড়া (পূর্বপাড়া); মো. সিয়াম আলী, পিতা-মো. ফারুক হাসান এবং মো. টুলু প্রাং, পিতা-মৃত ইশারত প্রাং। শেষ দুজনের ঠিকানা নিজ বলাইল, সারিয়াকান্দি, বগুড়া।
পুলিশ অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের থানায় নিয়ে আসে। পরে মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আটক পাঁচজনকেই বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আটকের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পুলিশ বলছে, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ যেমন মাঠে সক্রিয় রয়েছে, তেমনি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতিও আহ্বান জানানো হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়—অপরাধী যতই কৌশলী হোক, আইনের হাত থেকে রেহাই মিলবে না।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী ও তিন জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ১০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সারিয়াকান্দি থানার একটি অভিযানিক দল উপজেলার দিঘলকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী মো. বাদল মিয়া (৩০)-কে আটক করে। তিনি দিঘলকান্দি গ্রামের মো. বাবুল মন্ডলের ছেলে।
অন্যদিকে, চন্দনবাইশা তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানিক দল মাদকবিরোধী অভিযানে মো. নুরুল ইসলাম (৪৫)-কে আটক করে। তিনি গাবতলী থানার পাইকড়তলী (গেদুরভিটা) এলাকার মৃত দুলু মন্ডলের ছেলে।
এ ছাড়া সারিয়াকান্দি থানার ওয়ারেন্ট তামিল অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি হিসেবে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন—মো. নায়েব আলী, পিতা-মৃত মফিজ উদ্দিন প্রাং, সাং-কড়িতলা মাঠপাড়া (পূর্বপাড়া); মো. সিয়াম আলী, পিতা-মো. ফারুক হাসান এবং মো. টুলু প্রাং, পিতা-মৃত ইশারত প্রাং। শেষ দুজনের ঠিকানা নিজ বলাইল, সারিয়াকান্দি, বগুড়া।
পুলিশ অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের থানায় নিয়ে আসে। পরে মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আটক পাঁচজনকেই বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আটকের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পুলিশ বলছে, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ যেমন মাঠে সক্রিয় রয়েছে, তেমনি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতিও আহ্বান জানানো হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়—অপরাধী যতই কৌশলী হোক, আইনের হাত থেকে রেহাই মিলবে না।

আপনার মতামত লিখুন