শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ওঠার পর মাদ্রাসাটিতে গিয়ে পরিচালক শফিকুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মাদ্রাসায় গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেয়। তবে অভিযুক্ত পরিচালককে সেখানে পাওয়া যায়নি। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে পরিচালকের অনৈতিক আচরণের অভিযোগের কথা জানতে পারেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ওই অভিভাবকের ভাষ্য, মাদ্রাসা ভবনের বাড়িওয়ালার সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে তার কথা হয়েছে। বাড়িওয়ালা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্ধ্যার মধ্যে তাকে উপস্থিত হতে বলেছেন বলে দাবি করেন তিনি। অন্যথায় মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলেও জানান ওই অভিভাবক।
মাদ্রাসার শিক্ষক মো. বায়জিদ বলেন, শিক্ষার্থীরা শিশু। অভিভাবকেরা তাদের শিক্ষার জন্য শিক্ষকদের ওপর আস্থা রেখে মাদ্রাসায় পাঠান। কোনো শিক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি অনৈতিক আচরণ করলে তা শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন জানায়, শিক্ষককে সম্মান করার কারণে এবং মাদ্রাসার পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সে প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানাতে সাহস পায়নি।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে পরিচালক শফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ওঠার পর মাদ্রাসাটিতে গিয়ে পরিচালক শফিকুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মাদ্রাসায় গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেয়। তবে অভিযুক্ত পরিচালককে সেখানে পাওয়া যায়নি। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে পরিচালকের অনৈতিক আচরণের অভিযোগের কথা জানতে পারেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ওই অভিভাবকের ভাষ্য, মাদ্রাসা ভবনের বাড়িওয়ালার সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে তার কথা হয়েছে। বাড়িওয়ালা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্ধ্যার মধ্যে তাকে উপস্থিত হতে বলেছেন বলে দাবি করেন তিনি। অন্যথায় মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলেও জানান ওই অভিভাবক।
মাদ্রাসার শিক্ষক মো. বায়জিদ বলেন, শিক্ষার্থীরা শিশু। অভিভাবকেরা তাদের শিক্ষার জন্য শিক্ষকদের ওপর আস্থা রেখে মাদ্রাসায় পাঠান। কোনো শিক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি অনৈতিক আচরণ করলে তা শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন জানায়, শিক্ষককে সম্মান করার কারণে এবং মাদ্রাসার পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সে প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানাতে সাহস পায়নি।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে পরিচালক শফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন