পরে বিকেলে তাকে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়। আদালতের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান ভূঁঞা ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহপরাণ (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস আহমদ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ফয়জুল হক সদর উপজেলার পীরেরবাজার এলাকার একটি মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তার বাড়ি জৈন্তাপুর উপজেলায়।
শিশুদের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, সম্প্রতি ওই দুই শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে ফেরার পর সেখানে আর যেতে চাইছিল না। অভিভাবকেরা এর কারণ জানতে চাইলে তারা অভিযোগ করে, প্রতিরাতে তাদের শিক্ষক ফয়জুল হকের কক্ষে যেতে হতো। কক্ষে না গেলে তাদের মারধর করা হতো এবং সেখানে গেলে তাদের ধর্ষণ করা হতো।
ওসি মো. ফেরদৌস আহমদ বলেন, ঘটনা জানার পর ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীর স্বজন মামলা করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষক ছিলেন। মামলা দায়েরের পর তিনি মাদ্রাসা ছেড়ে জৈন্তাপুরে নিজ বাড়িতে চলে যান।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই দুই শিক্ষার্থীর বয়স ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে।
ওসি মো. ফেরদৌসের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়জুল হক অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। অভিযোগের শিকার দুই শিশুর মেডিকেল পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পরে বিকেলে তাকে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়। আদালতের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান ভূঁঞা ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহপরাণ (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস আহমদ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ফয়জুল হক সদর উপজেলার পীরেরবাজার এলাকার একটি মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তার বাড়ি জৈন্তাপুর উপজেলায়।
শিশুদের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, সম্প্রতি ওই দুই শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে ফেরার পর সেখানে আর যেতে চাইছিল না। অভিভাবকেরা এর কারণ জানতে চাইলে তারা অভিযোগ করে, প্রতিরাতে তাদের শিক্ষক ফয়জুল হকের কক্ষে যেতে হতো। কক্ষে না গেলে তাদের মারধর করা হতো এবং সেখানে গেলে তাদের ধর্ষণ করা হতো।
ওসি মো. ফেরদৌস আহমদ বলেন, ঘটনা জানার পর ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীর স্বজন মামলা করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষক ছিলেন। মামলা দায়েরের পর তিনি মাদ্রাসা ছেড়ে জৈন্তাপুরে নিজ বাড়িতে চলে যান।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই দুই শিক্ষার্থীর বয়স ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে।
ওসি মো. ফেরদৌসের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়জুল হক অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। অভিযোগের শিকার দুই শিশুর মেডিকেল পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন