চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই মামুন উর রশিদের ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়ার পর তাকে ফাঁড়ি ও বাসায় কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না— উধাও হওয়ার এমন অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশ বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এসআই মামুনের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে তার ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু টেস্টের জন্য খোঁজ করা হলে তাকে ফাঁড়িতে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তার বাসায় গিয়েও তার দেখা মেলেনি।
ফাঁড়ির ইনচার্জ আরও বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিকভাবে ওই এসআই এর গ্রামের বাড়ির সুনির্দিষ্ট ঠিকানা ওই ফাঁড়ির ইনচার্জ জানাতে পারেননি | তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এসআই মামুন উর রশিদ মাদক গ্রহণ করেছেন কি না, তা প্রমাণিত হয়নি। এমনকি তিনি কেন ফাঁড়ি বা বাসায় থেকে লাপাত্তা, সে বিষয়টিও এখনো স্পষ্ট নয়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুইদিন ধরে এসআই মামুনের খোঁজ মিলছে না। তার ডোপ টেস্ট হওয়ার কথা ছিল। এখন আইনগত প্রক্রিয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে |

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই মামুন উর রশিদের ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়ার পর তাকে ফাঁড়ি ও বাসায় কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না— উধাও হওয়ার এমন অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশ বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এসআই মামুনের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে তার ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু টেস্টের জন্য খোঁজ করা হলে তাকে ফাঁড়িতে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তার বাসায় গিয়েও তার দেখা মেলেনি।
ফাঁড়ির ইনচার্জ আরও বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিকভাবে ওই এসআই এর গ্রামের বাড়ির সুনির্দিষ্ট ঠিকানা ওই ফাঁড়ির ইনচার্জ জানাতে পারেননি | তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এসআই মামুন উর রশিদ মাদক গ্রহণ করেছেন কি না, তা প্রমাণিত হয়নি। এমনকি তিনি কেন ফাঁড়ি বা বাসায় থেকে লাপাত্তা, সে বিষয়টিও এখনো স্পষ্ট নয়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুইদিন ধরে এসআই মামুনের খোঁজ মিলছে না। তার ডোপ টেস্ট হওয়ার কথা ছিল। এখন আইনগত প্রক্রিয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে |

আপনার মতামত লিখুন