তিনি আরও বলেন, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছেন এবং দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবেন। এ লড়াই শুরু হয়েছে, দাবি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই তা শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে জোটভুক্ত ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের মতো বর্তমান সরকারও আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র ক্ষুণ্ন করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে সরকার ইতিহাসে নেতিবাচকভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
লংমার্চের ব্যানার ও ফেস্টুন বিভিন্ন স্থানে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, এভাবে গণজোয়ার ঠেকানো যাবে না। তিনি বলেন, আট দফা দাবি এক দফায় পরিণত হতে পারে এবং সে জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, দেশকে সঠিক পথে আনতেই এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য দায়িত্বশীল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, হরতাল-অবরোধ ছাড়াই নতুন ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচির নজির সৃষ্টি করবে এই জোট।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, লংমার্চকে ঘিরে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ভয় পাওয়ার কিছু নেই; ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণেই এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা হামিদুর রহমান আজাদ।
এছাড়া বক্তব্য দেন নেজামে ইসলাম পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোভানি, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাকপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বিজেপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক চাঁন, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম।
সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় রংপুরের উদ্দেশে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এতে এক হাজারের বেশি যানবাহন অংশ নেবে।
রংপুরে সমাপনী সমাবেশের আগে পথে পাঁচটি পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম সভা হবে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসে। এরপর টাঙ্গাইলের নগরজালফৈ বাইপাস রোড, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল, বগুড়ার মাটিডালির বিমান মোড় এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়া, পথে লংমার্চকে স্বাগত জানাতে আসা জনতার উপস্থিতি ও চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে নেতারা বক্তব্য রাখতে পারেন বলে জানানো হয়েছে।
লংমার্চ সফল করতে জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তিনি আরও বলেন, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছেন এবং দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবেন। এ লড়াই শুরু হয়েছে, দাবি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই তা শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে জোটভুক্ত ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের মতো বর্তমান সরকারও আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র ক্ষুণ্ন করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে সরকার ইতিহাসে নেতিবাচকভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
লংমার্চের ব্যানার ও ফেস্টুন বিভিন্ন স্থানে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, এভাবে গণজোয়ার ঠেকানো যাবে না। তিনি বলেন, আট দফা দাবি এক দফায় পরিণত হতে পারে এবং সে জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, দেশকে সঠিক পথে আনতেই এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য দায়িত্বশীল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, হরতাল-অবরোধ ছাড়াই নতুন ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচির নজির সৃষ্টি করবে এই জোট।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, লংমার্চকে ঘিরে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ভয় পাওয়ার কিছু নেই; ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণেই এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা হামিদুর রহমান আজাদ।
এছাড়া বক্তব্য দেন নেজামে ইসলাম পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোভানি, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাকপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বিজেপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক চাঁন, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম।
সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় রংপুরের উদ্দেশে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এতে এক হাজারের বেশি যানবাহন অংশ নেবে।
রংপুরে সমাপনী সমাবেশের আগে পথে পাঁচটি পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম সভা হবে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসে। এরপর টাঙ্গাইলের নগরজালফৈ বাইপাস রোড, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল, বগুড়ার মাটিডালির বিমান মোড় এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়া, পথে লংমার্চকে স্বাগত জানাতে আসা জনতার উপস্থিতি ও চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে নেতারা বক্তব্য রাখতে পারেন বলে জানানো হয়েছে।
লংমার্চ সফল করতে জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন