মাতামুহুরী রিজার্ভে নিষিদ্ধ সময়ে বাঁশ কর্তনের অভিযোগের বিষয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দের কথা জানিয়েছেন।
মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বলেন, কিছু বাঁশ অবৈধভাবে নদীতে মজুত রয়েছে। সেইসব বাঁশ আমরা জব্দ করব।
লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তিনি রেঞ্জ কর্মকর্তাকে মজুত বাঁশ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুল হক বলেন, প্রায় ৯ হাজার বাঁশ জব্দ করা হয়েছে। রেঞ্জের পক্ষ থেকে সেগুলো হোসেন সর্দারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, জুন, জুলাই ও আগস্ট এই তিন মাস নিষিদ্ধ সময়ে মাতামুহুরী রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ বাঁশ কেটে মাতামুহুরী নদীপথে পাচার করা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, সদ্য বদলীকৃত মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মালেকের যোগসাজশে এই বাঁশ কাটা হয়েছে। চকরিয়ার বাঁশ ব্যবসায়ী জসিম, পুতুসহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ। বাবু পাড়া চেকপোস্টের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে কাটা বাঁশ বন বিভাগের যোগসাজশে পাচার করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, জব্দের নির্দেশের পরও একটি অংশ পাচার হয়ে যায়, পরে আলীকদম সেনা জোনের কানা মার্ঝি আর্মি ক্যাম্পের সেনাসদস্যরা ৯ হাজার বাঁশ জব্দ করে তৈন রেঞ্জের কাছে হস্তান্তর করেন।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাতামুহুরী রিজার্ভে নিষিদ্ধ সময়ে বাঁশ কর্তনের অভিযোগের বিষয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দের কথা জানিয়েছেন।
মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বলেন, কিছু বাঁশ অবৈধভাবে নদীতে মজুত রয়েছে। সেইসব বাঁশ আমরা জব্দ করব।
লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তিনি রেঞ্জ কর্মকর্তাকে মজুত বাঁশ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুল হক বলেন, প্রায় ৯ হাজার বাঁশ জব্দ করা হয়েছে। রেঞ্জের পক্ষ থেকে সেগুলো হোসেন সর্দারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, জুন, জুলাই ও আগস্ট এই তিন মাস নিষিদ্ধ সময়ে মাতামুহুরী রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ বাঁশ কেটে মাতামুহুরী নদীপথে পাচার করা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, সদ্য বদলীকৃত মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মালেকের যোগসাজশে এই বাঁশ কাটা হয়েছে। চকরিয়ার বাঁশ ব্যবসায়ী জসিম, পুতুসহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ। বাবু পাড়া চেকপোস্টের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে কাটা বাঁশ বন বিভাগের যোগসাজশে পাচার করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, জব্দের নির্দেশের পরও একটি অংশ পাচার হয়ে যায়, পরে আলীকদম সেনা জোনের কানা মার্ঝি আর্মি ক্যাম্পের সেনাসদস্যরা ৯ হাজার বাঁশ জব্দ করে তৈন রেঞ্জের কাছে হস্তান্তর করেন।

আপনার মতামত লিখুন