ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে: রিজভী

বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে: রিজভী
বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকা রাজনৈতিক দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। বাস ও ট্রেনে আগুন দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন করেন, এসব ঘটনা কারা ঘটাচ্ছে।

রিজভীর দাবি, ‘পতিত স্বৈরাচারদের’ পাশাপাশি আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসীদের বক্তব্যও সামনে আসছে। এমনকি বিরোধী দলের ভেতর থেকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রিজভী। জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট এ সভার আয়োজন করে।

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে হামলার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, গত রোববার রাতে গুপ্ত বলে পরিচিত একটি সংগঠনের ছাত্র সংগঠন সেখানে তাণ্ডব চালিয়েছে। তারা ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে। এ ঘটনার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তার ভাষায়, ‘আপনারা পারলে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটি লংমার্চ করে দেখান।’

জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী বলেন, দলটি দুটি নীতি গ্রহণ করেছে। এর একটি হলো মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বিরোধী বক্তব্য দেওয়া এবং অন্যটি নিজেদের ‘সোনালি বা রুপালি রঙের ছেলেদের’ উসকে দিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো। তার অভিযোগ, জামায়াত দেশের রাজনৈতিক বিকাশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

রিজভী বলেন, পাকিস্তান আন্দোলনের সময় এ দেশের সব জনগোষ্ঠী যখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, তখনও তারা সেই জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধিকার ও স্বাধীনতার সব আন্দোলনেই তারা বাধা দিয়েছে। জনগণের পক্ষে তাদের কখনো কোনো ভূমিকা ছিল না। তবে ইসলামের নাম ব্যবহার করে তারা বারবার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এ কারণে তারা কখনো জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, একটি ন্যায্য সরকারি কার্যক্রম বা পরিচালনাকে অপপ্রচারের মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। তার দাবি, এখনো কেউ বলতে পারবে না যে বাংলাদেশের ব্যাংক থেকে টাকা পাচার হচ্ছে কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লুটপাট হচ্ছে। দেশের আর্থিক খাত ও ব্যাংকিং কার্যক্রম আবার পায়ে মাটি পাচ্ছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহও অনেক বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আড়াই গুণ বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকটি রাজনৈতিক দলের বর্তমান অবস্থান কিছুটা ভিন্ন মনে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। বিরোধী দলগুলোর সাম্প্রতিক লংমার্চ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির প্রতিবাদসহ জনস্বার্থে কয়েকটি দাবি নিয়ে চট্টগ্রাম ও রংপুরে লংমার্চ করা ভালো। তবে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে রংপুরে সংগঠন থাকা সত্ত্বেও কেন ৪৫০টি গাড়ি নিয়ে যেতে হলো, সে প্রশ্ন রয়েছে।

রিজভী বলেন, জ্বালানি সংকটের সময়ে ৪৫০টি গাড়িতে জ্বালানি ব্যবহারের প্রয়োজন ছিল কি না, সেটিও বিবেচনা করা দরকার। তার ভাষায়, ওই জ্বালানি ব্যবহার না হলে অনেক সাশ্রয় হতো। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। এই জ্বালানি ভালো কাজে ব্যবহার করা যেত।

রিজভীর দাবি, তিনি কোনো কথা বানিয়ে বলছেন না। যমুনা ব্রিজের টোলের হিসাব অনুযায়ী ৪৫০টি গাড়ি গেছে। অথচ লংমার্চে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরাই ১ হাজার গাড়ি নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাহলে কিছু গাড়ির টোলও হয়তো দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। সমসাময়িক প্রতিবেদনে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা সূত্রের বরাত দিয়ে লংমার্চের প্রায় ৪৩০ থেকে ৪৫০টি গাড়ি সেতু পার হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বিরোধী দলের উদ্দেশে রিজভী আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে জঘন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই সংকটের সঙ্গে সরকার, বিরোধী দল কিংবা দেশের মানুষের কোনো হাত নেই। সংকটটি বাংলাদেশের অনেক দূরে। অথচ সেটি সরাসরি সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র আছে বলেই বিরোধী দল সংসদে এবং সংসদের বাইরে কথা বলতে পারে। তারা জোরালো সমালোচনাও করতে পারে। বিরোধী দল লংমার্চ করেছে। কিন্তু সরকার বা সরকারের পক্ষের দল কোথাও সামান্যতম বাধা দেয়নি।

রিজভী বলেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করেছিলাম শেখ হাসিনার অসভ্যতা, কাদা ছোড়াছুড়ি ও ব্যক্তিগত আক্রমণের রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য। কিন্তু এখন আবার তার পুনরাবৃত্তি দেখছি। এর জন্যই কি আবু সাঈদসহ এত মানুষের আত্মদান?’

তিনি আরও বলেন, ‘এই স্বাধীন দেশেই এমন একটি রাজনৈতিক দল ছিল—যারা পাঞ্জাবি, বালুচ, ব্রিটিশ বা স্কটিশ নয়—তারাই আমাদের ওপর এ ধরনের বর্বর আচরণ করেছে। এই গোষ্ঠী অতীতে আমাদের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন করেছে। কিন্তু শেখ হাসিনার নিপীড়ন আমার কাছে কোনো কোনো সময় তাদের চেয়েও বেশি এবং ভয়াবহ মনে হয়েছে।’

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) সভাপতি ব্যারিস্টার নাসিম খানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (রাজনৈতিক) রাশেদ খান, গণদলের চেয়ারম্যান এ টি এম গোলাম মওলা, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ-আল-হারুন (সোহেল), ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, সাম্যবাদী দলের সভাপতি সাইদ আহমেদ, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারেক, এনডিপির মহাসচিব জামিল আহমেদ, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব সাইফুল ইসলাম, বিএমএলের মহাসচিব রেজওয়ান মর্তুজা ও গণদলের মহাসচিব আবু সৈয়দ।

জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত সভাটি সঞ্চালনা করেন।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে: রিজভী

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকা রাজনৈতিক দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। বাস ও ট্রেনে আগুন দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন করেন, এসব ঘটনা কারা ঘটাচ্ছে।

রিজভীর দাবি, ‘পতিত স্বৈরাচারদের’ পাশাপাশি আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসীদের বক্তব্যও সামনে আসছে। এমনকি বিরোধী দলের ভেতর থেকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রিজভী। জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট এ সভার আয়োজন করে।

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে হামলার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, গত রোববার রাতে গুপ্ত বলে পরিচিত একটি সংগঠনের ছাত্র সংগঠন সেখানে তাণ্ডব চালিয়েছে। তারা ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে। এ ঘটনার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তার ভাষায়, ‘আপনারা পারলে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটি লংমার্চ করে দেখান।’

জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী বলেন, দলটি দুটি নীতি গ্রহণ করেছে। এর একটি হলো মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বিরোধী বক্তব্য দেওয়া এবং অন্যটি নিজেদের ‘সোনালি বা রুপালি রঙের ছেলেদের’ উসকে দিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো। তার অভিযোগ, জামায়াত দেশের রাজনৈতিক বিকাশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

রিজভী বলেন, পাকিস্তান আন্দোলনের সময় এ দেশের সব জনগোষ্ঠী যখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, তখনও তারা সেই জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধিকার ও স্বাধীনতার সব আন্দোলনেই তারা বাধা দিয়েছে। জনগণের পক্ষে তাদের কখনো কোনো ভূমিকা ছিল না। তবে ইসলামের নাম ব্যবহার করে তারা বারবার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এ কারণে তারা কখনো জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, একটি ন্যায্য সরকারি কার্যক্রম বা পরিচালনাকে অপপ্রচারের মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। তার দাবি, এখনো কেউ বলতে পারবে না যে বাংলাদেশের ব্যাংক থেকে টাকা পাচার হচ্ছে কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লুটপাট হচ্ছে। দেশের আর্থিক খাত ও ব্যাংকিং কার্যক্রম আবার পায়ে মাটি পাচ্ছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহও অনেক বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আড়াই গুণ বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকটি রাজনৈতিক দলের বর্তমান অবস্থান কিছুটা ভিন্ন মনে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। বিরোধী দলগুলোর সাম্প্রতিক লংমার্চ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির প্রতিবাদসহ জনস্বার্থে কয়েকটি দাবি নিয়ে চট্টগ্রাম ও রংপুরে লংমার্চ করা ভালো। তবে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে রংপুরে সংগঠন থাকা সত্ত্বেও কেন ৪৫০টি গাড়ি নিয়ে যেতে হলো, সে প্রশ্ন রয়েছে।

রিজভী বলেন, জ্বালানি সংকটের সময়ে ৪৫০টি গাড়িতে জ্বালানি ব্যবহারের প্রয়োজন ছিল কি না, সেটিও বিবেচনা করা দরকার। তার ভাষায়, ওই জ্বালানি ব্যবহার না হলে অনেক সাশ্রয় হতো। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। এই জ্বালানি ভালো কাজে ব্যবহার করা যেত।

রিজভীর দাবি, তিনি কোনো কথা বানিয়ে বলছেন না। যমুনা ব্রিজের টোলের হিসাব অনুযায়ী ৪৫০টি গাড়ি গেছে। অথচ লংমার্চে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরাই ১ হাজার গাড়ি নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাহলে কিছু গাড়ির টোলও হয়তো দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। সমসাময়িক প্রতিবেদনে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা সূত্রের বরাত দিয়ে লংমার্চের প্রায় ৪৩০ থেকে ৪৫০টি গাড়ি সেতু পার হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বিরোধী দলের উদ্দেশে রিজভী আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে জঘন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই সংকটের সঙ্গে সরকার, বিরোধী দল কিংবা দেশের মানুষের কোনো হাত নেই। সংকটটি বাংলাদেশের অনেক দূরে। অথচ সেটি সরাসরি সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র আছে বলেই বিরোধী দল সংসদে এবং সংসদের বাইরে কথা বলতে পারে। তারা জোরালো সমালোচনাও করতে পারে। বিরোধী দল লংমার্চ করেছে। কিন্তু সরকার বা সরকারের পক্ষের দল কোথাও সামান্যতম বাধা দেয়নি।

রিজভী বলেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করেছিলাম শেখ হাসিনার অসভ্যতা, কাদা ছোড়াছুড়ি ও ব্যক্তিগত আক্রমণের রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য। কিন্তু এখন আবার তার পুনরাবৃত্তি দেখছি। এর জন্যই কি আবু সাঈদসহ এত মানুষের আত্মদান?’

তিনি আরও বলেন, ‘এই স্বাধীন দেশেই এমন একটি রাজনৈতিক দল ছিল—যারা পাঞ্জাবি, বালুচ, ব্রিটিশ বা স্কটিশ নয়—তারাই আমাদের ওপর এ ধরনের বর্বর আচরণ করেছে। এই গোষ্ঠী অতীতে আমাদের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন করেছে। কিন্তু শেখ হাসিনার নিপীড়ন আমার কাছে কোনো কোনো সময় তাদের চেয়েও বেশি এবং ভয়াবহ মনে হয়েছে।’

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) সভাপতি ব্যারিস্টার নাসিম খানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (রাজনৈতিক) রাশেদ খান, গণদলের চেয়ারম্যান এ টি এম গোলাম মওলা, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ-আল-হারুন (সোহেল), ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, সাম্যবাদী দলের সভাপতি সাইদ আহমেদ, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারেক, এনডিপির মহাসচিব জামিল আহমেদ, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব সাইফুল ইসলাম, বিএমএলের মহাসচিব রেজওয়ান মর্তুজা ও গণদলের মহাসচিব আবু সৈয়দ।

জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত সভাটি সঞ্চালনা করেন।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে: রিজভী
0:00 0:00
1.0x