বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, কোনো তদন্ত, নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কিংবা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার আগেই ট্রেনে অগ্নিসংযোগের দায় দলটির ওপর চাপানো অনৈতিক, দায়িত্বজ্ঞানহীন, দুরভিসন্ধিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রিজভীর এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
জুবায়ের বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত, তা জানতে চেয়েছেন। একই নীতির ভিত্তিতে ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার দাবি জানানো উচিত ছিল। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়াই জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি, নৈরাজ্য কিংবা জনসম্পদ ধ্বংসের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে জুবায়ের বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তার রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো স্থানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলে এর জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমীরকে লংমার্চ করতে বলা মূল ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের শনাক্ত করার বিকল্প হতে পারে না। কারা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কী এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জাতির সামনে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কোনো অপরাধের সঙ্গে একটি দলের নাম জড়িয়ে দেওয়া সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ ধরনের বক্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে আরও সংযত, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রত্যাশা করেন জুবায়ের।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। তদন্তের আগে অভিযোগ এবং প্রমাণ পাওয়ার আগেই রায় দেওয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রেনে ও বাসে অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি, ভাঙচুরসহ সব ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে জুবায়ের বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অপরাধের প্রমাণই বিচারের ভিত্তি হওয়া উচিত। এটিই আইনের শাসনের দাবি।
একই সঙ্গে রিজভীর বক্তব্য প্রত্যাহার এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি অপপ্রচার বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্যও রিজভীর প্রতি আহ্বান জানান জুবায়ের।
সূত্র: ইত্তেফাক

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, কোনো তদন্ত, নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কিংবা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার আগেই ট্রেনে অগ্নিসংযোগের দায় দলটির ওপর চাপানো অনৈতিক, দায়িত্বজ্ঞানহীন, দুরভিসন্ধিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রিজভীর এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
জুবায়ের বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত, তা জানতে চেয়েছেন। একই নীতির ভিত্তিতে ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার দাবি জানানো উচিত ছিল। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়াই জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি, নৈরাজ্য কিংবা জনসম্পদ ধ্বংসের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে জুবায়ের বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তার রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো স্থানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলে এর জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমীরকে লংমার্চ করতে বলা মূল ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের শনাক্ত করার বিকল্প হতে পারে না। কারা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কী এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জাতির সামনে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কোনো অপরাধের সঙ্গে একটি দলের নাম জড়িয়ে দেওয়া সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ ধরনের বক্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে আরও সংযত, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রত্যাশা করেন জুবায়ের।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। তদন্তের আগে অভিযোগ এবং প্রমাণ পাওয়ার আগেই রায় দেওয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রেনে ও বাসে অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি, ভাঙচুরসহ সব ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে জুবায়ের বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অপরাধের প্রমাণই বিচারের ভিত্তি হওয়া উচিত। এটিই আইনের শাসনের দাবি।
একই সঙ্গে রিজভীর বক্তব্য প্রত্যাহার এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি অপপ্রচার বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্যও রিজভীর প্রতি আহ্বান জানান জুবায়ের।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন