চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণকালে আকস্মিক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২৬) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী সিএমএইচে গিয়ে চিকিৎসাধীন ওই আহত কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।প্রধানমন্ত্রী আহত সেনা কর্মকর্তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এসময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আহত সেনা কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সাহস ও সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী।গত বুধবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত হন এবং একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। পরে আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।দুর্ঘটনায় নিহত দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার গোবিন্দপুর সীমান্ত দিয়ে ২০ থেকে ২৫ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের দাউদপুর বিওপির আওতাধীন গোবিন্দপুর সীমান্তের ২৮৯/৪৬-এস পিলারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।বিজিবি জানায়, রাতে কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রম করিয়ে কয়েকজনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের প্রতিহত করেন। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেয়।ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন ঠেকাতে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। দাউদপুর বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার মাহাবুর রহমান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বর্তমানে বাসায় থেকেই মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করছেন। গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বাসায় এনে পর্যালোচনা করার পাশাপাশি অনলাইনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিচ্ছেন তিনি।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি বর্তমানে বিশ্রামে রয়েছেন এবং অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করছেন।এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে ফুসফুসের সংক্রমণ, ঠান্ডা-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হন বিদ্যুৎমন্ত্রী। চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় শনিবার রাতে তিনি বাসায় ফেরেন।মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসকরা পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রীকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এ কারণে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন। মন্ত্রী সেগুলো পর্যালোচনা করছেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইনেও দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি আরও জানান, মন্ত্রী দ্রুত সুস্থ হয়ে শিগগিরই সশরীরে সচিবালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও উপস্থিত হতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বর্তমানে বাসায় থেকেই মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করছেন। গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বাসায় এনে পর্যালোচনা করার পাশাপাশি অনলাইনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিচ্ছেন তিনি।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি বর্তমানে বিশ্রামে রয়েছেন এবং অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করছেন।এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে ফুসফুসের সংক্রমণ, ঠান্ডা-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হন বিদ্যুৎমন্ত্রী। চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় শনিবার রাতে তিনি বাসায় ফেরেন।মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসকরা পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রীকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এ কারণে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন। মন্ত্রী সেগুলো পর্যালোচনা করছেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইনেও দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি আরও জানান, মন্ত্রী দ্রুত সুস্থ হয়ে শিগগিরই সশরীরে সচিবালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও উপস্থিত হতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়মিতভাবে প্রতি বছর আয়োজন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।এর আগে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছিলেন, টুর্নামেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যাগুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বিপিএল আয়োজনের বিষয়ে বোর্ড প্রস্তুত নয়। বোর্ডের এ অবস্থানকে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো স্বাগত জানালেও ক্রিকেটারদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। কারণ বিপিএল অনেক ক্রিকেটারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।পরবর্তীতে ক্রিকেটারদের আর্থিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিসিবি ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।এদিকে বিপিএল অনুষ্ঠিত না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমিনুল হক বলেন, গণমাধ্যমের কাছ থেকেই তিনি এ বিষয়ে জানতে পেরেছেন। তাঁর মতে, বিপিএল বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট এবং এটি প্রতি বছরই আয়োজন করা উচিত।ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপিএল আয়োজন না করার পেছনে বিসিবি সভাপতি কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেছেন। তবে কেন টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হলো না, তা নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বিপিএলের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা যাতে নিয়মিতভাবে আয়োজন করা যায়, সে বিষয়ে সরকার নজর রাখবে।
সৈয়দপুরে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট নিয়ে দিনব্যাপী "বিজ্ঞান মেলা"র আয়োজন করেছে নুরুল হিকমাহ মডেল মাদরাসা। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও বৈজ্ঞানিক মনন বিকাশের লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়।মেলার শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম। এ সময় তিনি ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এমন উদ্ভাবনী প্রচেষ্টা দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাদের ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহ ও শুভকামনা জানান।মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মেলায় শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সুরক্ষা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং বিভিন্ন বাস্তবমুখী সমস্যা সমাধানের নানা মডেল প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের ৬৪ জেলার প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর রাজনৈতিক পর্যায়ে তদারকি ও সমন্বয় জোরদারে নতুন দায়িত্ব বণ্টন করেছে সরকার। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিলিয়ে ৩০ জনকে এক থেকে তিনটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব বণ্টনের কথা জানানো হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তদারকি ও পরামর্শ দেবেন। পাশাপাশি সরকারি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করবেন তারা।দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ পেয়েছেন রাজশাহী ও নাটোর; আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়; আবদুল আউয়াল মিন্টু লক্ষ্মীপুর; নিতাই রায় চৌধুরী চুয়াডাঙ্গা এবং খন্দকার আবদুল মুক্তাদির হবিগঞ্জের দায়িত্ব পেয়েছেন।আরিফুল হক চৌধুরী মৌলভীবাজার; মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি চট্টগ্রাম; এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; আসাদুল হাবিব দুলু ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং মো. আসাদুজ্জামান খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের দায়িত্ব পেয়েছেন।জাকারিয়া তাহের ফেনী ও নোয়াখালী; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ; সাচিং প্রু কক্সবাজার এবং মো. শরীফুল আলম টাঙ্গাইল ও নরসিংদীর দায়িত্ব পেয়েছেন।শামা ওবায়েদ ইসলাম মাদারীপুর ও শরীয়তপুর; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ; আব্দুল বারী বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সুলতান সালাউদ্দিন ঢাকা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে। হাবিবুর রশিদ পেয়েছেন গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ; মো. রাজীব আহসান বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর এবং মীর শাহে আলম রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের দায়িত্ব পেয়েছেন।এ ছাড়া ফারজানা শারমিন পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ ও পাবনা; শেখ ফরিদুল ইসলাম যশোর, মাগুরা ও নড়াইল; ইমরান খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ এবং আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠির দায়িত্ব পেয়েছেন।মোহাম্মদ শামীম কায়সার পেয়েছেন জয়পুরহাট ও নওগাঁ; মো. জি কে গউছ সিলেট ও সুনামগঞ্জ; মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন।কী থাকবে নতুন দায়িত্বের আওতায়?প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পুরনো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি তদারকি করবেন তারা।প্রয়োজনে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবেন। সরকারের প্রজ্ঞাপনে জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি কর্মকাণ্ডে সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
যশোরের চৌগাছায় পারিবারিক কলহের জেরে নার্গিস বেগম (৩৬) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ভোরে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত নার্গিস চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের কান্দি গ্রামের ইমরান হোসেনের স্ত্রী।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে নার্গিসের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।পরে মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকিরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার সময়ই নার্গিসের শারীরিক অবস্থা গুরুতর ছিল। তার মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এক মেয়েকে নিয়ে চড়ম অসহায় হয়ে পড়েছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অসহায় ভূমিহীন পরিজান বেগম। নেই মাথা গোজার ঠাঁই। পরিজান তার মেয়েকে নিয়ে অন্য মানুষের জমিতে খুপরি ঘর বানিয়ে কোনো ভাবে জীবন যাপন করে আসছেন। বহুদিন আগেই স্বামী শাহজাহান আলী ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন অন্যত্র।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার নওপাড়া গ্রামের পায়রাপাড়া এলাকায় তার যুবতী মেয়ে তহমিনাকে নিয়ে ইনাত আলীর জমিতে একটি খুপরি ঘর বানিয়ে সেখানেই বসবাস করে আসছিলেন বহুদিন যাবত। জমির মালিক ইনাত আলী বলে দিয়েছেন সেখান থেকে সরে যেতে। তাই যুবতী মেয়ে তাহমিনাকে নিয়ে কোথায় যাবেন ভেবে পাচ্ছেন না পরিজন। পরিযানের সহায় সম্বল বলতে রয়েছে দুটি ছাগল। মানুষের বাড়িতে ও কৃষি কাজ করে জীবন নির্বাহ করেন মা ও মেয়ে। এখন মাথা গোজার থাই খুঁজতে সকাল হতে রাত পর্যন্ত ধরনা দিচ্ছেন বিভিন্ন নেতা নেত্রীর কাছে। তবুও হচ্ছে না কোন কূল কিনারা। সহায় সম্বলহীন পরিযান বেগম পান না কোন সরকারি অনুদান, নেই কোন ভাতার কার্ড। একদিকে সংসারে অভাব অনটন অন্যদিকে যুবতী মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চিন্তা সব মিলে যেন বৃদ্ধ বয়সে কুড়ে খাচ্ছে পরিজান বেগমকে।এসব বিষয়ে বৃদ্ধ পরিজান বেগম বলেন, এতদিন এখানে ছিলাম ভালোই ছিলাম। এখন এই জমিতে ওরা কি যেন বানাবে তাই এখানে আর থাকা যাবে না। মানুষের বারান্দা ও বিভিন্ন জায়গায় এখন আমার দিনরাত কাটছে। আপনারা যদি পারেন আমার একটা থাকার জায়গা বানিয়ে দেন। আমার যুবতী মেয়েটিকে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাব ভেবে পাচ্ছি না। প্রতিবেশী দুলালী বেগম ও আজগর আলী বলেন, ওরা খুবই অসহায় ওদের বাড়ি ঘর নাই। জায়গা জমি নাই। ওদের যদি থাকার একটা ব্যবস্থা করা যেত তাহলে খুবই ভালো হতো। মহিলাটি এই বৃদ্ধ বয়সে এসেও তার মেয়েকে নিয়ে পরের জমিতে কৃষি কাজ করেন কখনো কখনো মানুষের বাসায় কাজ করে খায়। মাথা গোজার একটা থাই হলে ওদের জন্য খুবই ভালো হতো। এবিষয়ে জিউপাড়া ইউনিয়নের প্রশাসক ও পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। যদি কোনো ভাতা না পেয়ে থাকে, তাহলে সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বলেন। আমি চেষ্টা করব।
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় দলের বৈঠকে বসেছেন সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত রয়েছেন।বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনআগামী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ সভাকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দুপুর ২টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে।দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এবার রাষ্ট্রপতি পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার হিসেবে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন।সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১৯৯১ সালেতথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী—তথ্যসূত্রে উল্লিখিত প্রার্থী-পরিচয় যাচাই প্রয়োজন।১৯৯১ সালের ওই নির্বাচনে আব্দুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।আগামীকালকের ভোটে সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্ধারিত হবে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন।