ঢাকা    রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

লাইফ স্টাইল

অফিসের সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমে জড়ান ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ, বলছে সমীক্ষা

সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা—দিনের দীর্ঘ একটি সময় কর্মস্থলেই কাটে অনেক মানুষের। একই জায়গায় দীর্ঘ সময় কাজ করা, অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা এবং কাজের চাপ ভাগ করে নেওয়ার কারণে অনেক সময় সহকর্মীর প্রতি তৈরি হয় ভালো লাগা। ফোর্বস অ্যাডভাইজারের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা বলছে, জীবনের কোনো এক পর্যায়ে ৬০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কর্মক্ষেত্রে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।সমীক্ষায় অফিসে প্রেমের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ‘স্বাচ্ছন্দ্য’ বা কমফর্টেবিলিটি। প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষের মত, পরিচিত পরিবেশে পছন্দের মানুষের সঙ্গে কাজ করা তুলনামূলক সহজ। অন্যদিকে ৬১ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, কর্মস্থলের বাইরে নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়ার মতো যথেষ্ট সময় তাদের হাতে থাকে না। প্রায় ৫৯ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রে একই কর্মপরিবেশ ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।সাফল্য ও জটিলতার দুই দিকঅফিসে গড়ে ওঠা প্রেমের সম্পর্ককে অনেকেই স্বল্পস্থায়ী বলে মনে করেন। তবে সমীক্ষার ফলাফল ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। এতে দেখা গেছে, ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্কের তুলনায় কর্মক্ষেত্রে তৈরি সম্পর্ক অনেক সময় বেশি স্থায়ী হতে পারে।সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রায় ৪৩ শতাংশ অফিস রোমান্স শেষ পর্যন্ত বিয়েতে রূপ নেয়। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই সম্পর্কের কারণে মানুষ তাদের বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা বা ‘চিটিং’ করেছেন। আবার সম্পর্কের কারণে প্রায় ৪৭ শতাংশ মানুষ চাকরিও পরিবর্তন করেছেন।পেশাদারিত্বে কতটা প্রভাব পড়ে?কর্মক্ষেত্রে প্রেমের প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত জীবনে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব কাজ ও ক্যারিয়ারেও পড়তে পারে।কর্মক্ষমতা: প্রায় ৫৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন, কর্মক্ষেত্রে গড়ে ওঠা সম্পর্ক তাদের কাজের ওপর প্রভাব ফেলে।ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভারসাম্য: সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখা কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন ৫৪ শতাংশ মানুষ।সহকর্মীদের আচরণ: প্রায় ৫২ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অফিসের অন্য সহকর্মীরা ওই যুগলকে ভিন্নভাবে দেখতে শুরু করেন। আর প্রায় ৪৬ শতাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি অফিসে গসিপ বা পরচর্চার কারণ হয়ে ওঠে।বিচ্ছেদ হলে কী হয়?অফিস রোমান্স আনন্দের অভিজ্ঞতা এনে দিতে পারে, আবার বিচ্ছেদের আশঙ্কাও থাকে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সাধারণ সম্পর্কের তুলনায় অফিস রোমান্সে বিচ্ছেদের ভয় ১৭ শতাংশ বেশি।এ কারণে প্রায় ৩০ শতাংশ দম্পতি আগেই একটি ‘ব্রেকআপ প্ল্যান’ তৈরি করে রাখেন। সম্পর্ক ভেঙে গেলেও যাতে কর্মক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা তৈরি না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা এমন পরিকল্পনা করেন।প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাঅফিস রোমান্সের বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৬২ শতাংশ মানুষ তাদের সম্পর্কের বিষয়টি এইচআর বিভাগকে জানান।অন্যদিকে মাত্র ১৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন, সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো অপেশাদার আচরণ। তবে কর্মক্ষেত্রে সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে অনেক প্রতিষ্ঠান এখন কর্মীদের প্রেম বা সম্পর্ক নিয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা বা পলিসি তৈরি করছে। সূত্র: কালবেলা/এটিআর

লাইফ স্টাইল ৩০ আগস্ট ২০২৬

ছুটির দিনে তৈরি করুন সুস্বাদু তালের পাকন পিঠা

বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে পাকা তাল। তালের মৌসুমে বাঙালির ঘরে ঘরে তৈরি হয় নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার।তালের রস ব্যবহার করে পিঠা, পায়েসসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরির প্রচলন দীর্ঘদিনের। তালের রসের সঙ্গে চালের গুঁড়া ও ডাল মিশিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় মজাদার তালের পাকন পিঠা। বাইরে হালকা মচমচে এবং ভেতরে নরম এই পিঠা চিনির সিরায় ভিজিয়ে পরিবেশন করা হয়। ছুটির দিনের বিকেলের নাশতায় এটি হতে পারে দারুণ একটি আয়োজন।উপকরণ পাকা তালের রস — ১ কাপ দুধ — ১ কাপ চালের গুঁড়া — দেড় কাপ সেদ্ধ করে বাটা মুগডাল — ১ কাপ লবণ ও ঘি — পরিমাণমতো পিঠা ভাজার জন্য তেল — প্রয়োজনমতো সিরা তৈরির জন্য চিনি — ২ কাপ পানি — ১ কাপ দারুচিনি — ১ টুকরা এলাচ — ১টি প্রস্তুত প্রণালিপ্রথমে একটি পাত্র চুলায় বসিয়ে তালের রস ও দুধ একসঙ্গে ঢেলে দিন। এরপর এতে চালের গুঁড়া, সেদ্ধ করে বাটা মুগডাল, অল্প লবণ ও ঘি দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে সেদ্ধ করতে থাকুন।মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ ঠান্ডা হতে দিন। এরপর হাত দিয়ে ভালোভাবে মেখে নরম খামির তৈরি করে রাখুন।অন্য একটি পাত্রে চিনি, পানি, দারুচিনি ও এলাচ দিয়ে জ্বাল দিন। চিনি সম্পূর্ণ গলে সিরা তৈরি হলে আঁচ কমিয়ে রাখুন।এবার তৈরি করা খামির থেকে এক টেবিল চামচ পরিমাণ নিয়ে হাতে অথবা ছাঁচের সাহায্যে পছন্দমতো নকশা করে পিঠা বানিয়ে নিন।এরপর একটি প্যানে প্রয়োজনমতো তেল গরম করুন। তেল অতিরিক্ত গরম না করে অল্প আঁচে পিঠাগুলো ধীরে ধীরে ভাজুন। দুই পাশ সোনালি হয়ে এলে পিঠাগুলো তেল থেকে তুলে নিন।ভাজা পিঠা গরম থাকা অবস্থায় চিনির সিরায় দিয়ে দিন। প্রায় পাঁচ মিনিট সিরায় ভিজিয়ে রাখার পর তুলে প্লেটে সাজিয়ে নিন। সবশেষে বাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন সুস্বাদু তালের পাকন পিঠা।ছুটির দিনে পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উপভোগ করতে পারেন বাঙালির ঐতিহ্যবাহী এই পিঠা। সূত্র: বাংলানিউজ

লাইফ স্টাইল ২৮ আগস্ট ২০২৬

১৭ বছর ধরে নিজের চুল নিজেই কাটছেন সাবেক শিবির নেতা

নাপিতের দোকানে চুল কাটানোর জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। সেই অপেক্ষার বিরক্তি থেকেই প্রায় ১৭ বছর আগে নিজের চুল নিজেই কাটার সিদ্ধান্ত নেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা মুজাহিদুল ইসলাম। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত নিজের চুল নিজেই কেটে আসছেন তিনি।মুজাহিদুল ইসলাম দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাসুদেবপুর (পুরাতন বন্দর) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি পার্বতীপুর উপজেলার ভবানীপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।জানা গেছে, হাফেজি মাদ্রাসায় পড়ার সময় সপ্তাহজুড়ে মাদ্রাসার নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতেন মুজাহিদুল ইসলাম। শুক্রবার ছিল তার নানা পরিকল্পনার দিন। কিন্তু ওই দিনের বড় একটি অংশ নাপিতের দোকানে চুল কাটার অপেক্ষাতেই চলে যেত। চুল কাটাতে আগে সিরিয়াল নিতে হতো, আর সিরিয়াল পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতো। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চুল কাটানোর সুযোগ মিলত না।একদিন সেই দীর্ঘ অপেক্ষা থেকেই নিজের চুল নিজে কাটার জেদ তৈরি হয় তার মধ্যে। বাজার থেকে একটি কাঁচি ও চিরুনি কিনে শুরু করেন অনুশীলন। সেই সময় থেকে প্রায় ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও অভ্যাসটি বদলায়নি। এখনো নাপিতের দোকানে না গিয়ে নিজের চুল নিজেই কাটেন তিনি।মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘২০০৬ সালের দিকে আমাদের এলাকার একজন নাপিত খুব সুন্দর করে চুল কাটতেন। তার কাছে চুল কাটাতে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হতো। বিষয়টি আমার কাছে খুবই বিরক্তিকর লাগত। এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে নিজেই চুল কাটার সিদ্ধান্ত নিই। এরপর একটি কাঁচি ও চিরুনি কিনে বাড়িতে আয়নার সামনে অনুশীলন শুরু করি।’তিনি জানান, প্রথমদিকে নিজের চুলে অনুশীলন করে খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না। পরে মাদ্রাসার এক ছোট ভাইকে বুঝিয়ে তার চুল কেটে দেন। কিন্তু ফলাফল ভালো হয়নি। শেষ পর্যন্ত ওই ছাত্রের মাথা ন্যাড়া করে দিতে হয়েছিল।মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর নিজের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি মাদ্রাসার সহপাঠী ও ছোটদের চুল কাটতে শুরু করি। ধীরে ধীরে কাঁচি ও চিরুনির ব্যবহার আয়ত্তে চলে আসে।’তিনি আরও বলেন, ‘একসময় মনে হলো, অন্যের চুল কাটতে পারলে নিজের চুল কাটার জন্য কেন অন্যের কাছে যেতে হবে? এরপর নিজের চুল নিজেই কাটার অনুশীলনে আরও মনোযোগ দিই। কোন জায়গায় কতটুকু চুল কাটতে হবে এবং কোথায় কাঁচি ব্যবহার করতে হবে—এসব ধীরে ধীরে আন্দাজে শিখে যাই। গত ১৭ বছরে এই অভ্যাস আর পরিবর্তন হয়নি। চুল বড় হলেই আয়না, কাঁচি ও চিরুনি নিয়ে বসে পড়ি।’মুজাহিদুল ইসলামের ছোট ভাই মোকাররম হোসেন বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার ভাই মেধাবী এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তিনি মাদ্রাসা থেকে ছুটিতে বাড়িতে এলে আমাদের চুল কেটে দিতেন। পরে একসময় দেখি, নিজের চুলও নিজেই কাটছেন। প্রথমদিকে বিষয়টি আমাদের কাছে বেশ অবাক করার মতো ছিল। এখন মনে হয়, ইচ্ছা ও অভ্যাস থাকলে মানুষ অনেক কিছুই শিখতে পারে।’শিবনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ছামেদুল ইসলাম বলেন, ‘শুনেছি মুজিদুল ইসলাম প্রায় ১৭ বছর ধরে নিজের চুল নিজেই কাটেন। এতে তার সময় ও অর্থ—দুটিই সাশ্রয় হচ্ছে। বেঁচে যাওয়া সময় তিনি নিজের ও পরিবারের জন্য ব্যয় করেন।’ সূত্র: কালবেলা/এলএইচ/এমএ

লাইফ স্টাইল ২৪ আগস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দ্বিভাষিক অনলাইন সাহিত্যপত্র ‘চিন্তন’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে নতুন সংযোজন হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত দ্বিভাষিক অনলাইন সাহিত্যপত্র ‘চিন্তন’ (CHINTON)। শুক্রবার ঢাকার বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের একটি রেস্তরাঁয় আনুষ্ঠানিকভাবে সাহিত্যপত্রটির উদ্বোধন করা হয়। ভাষা ও সংস্কৃতির সীমারেখা পেরিয়ে সাহিত্যিক সংলাপ তৈরির লক্ষ্যেই ‘চিন্তন’-এর যাত্রা শুরু হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, লেখক, অনুবাদক ও প্রফেসর ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘চিন্তন’-এর সম্পাদক তাসনীম হোসাইন।‘চিন্তন’-এর ওয়েবসাইট উদ্বোধন করে ড. ফকরুল আলম এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি সাহিত্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ‘চিন্তন’কে একটি সম্ভাবনাময় দ্বিভাষিক অনলাইন সাহিত্যপত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখক ও পাঠকদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির মাধ্যমে এর সম্পাদকীয় দল সমকালীন সাহিত্যে দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।স্বাগত বক্তব্যে ‘চিন্তন’-এর লক্ষ্য ও দর্শন তুলে ধরেন সম্পাদক তাসনীম হোসাইন। তিনি বলেন, সাহিত্য ভৌগোলিক ও ভাষাগত বিভাজন অতিক্রম করে চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং অভিন্ন মানবিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষকে কাছাকাছি আনতে পারে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিষ্ঠিত ও নবীন লেখকদের জন্য ‘চিন্তন’ একটি আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক মিলনমঞ্চ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।অনুষ্ঠানে ‘Why Literature Still Matters in this Digital Era’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান তাকাদ আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘Technology connects our devices, literature connects our hearts’—প্রযুক্তি আমাদের যন্ত্রগুলোকে যুক্ত করে, আর সাহিত্য আমাদের হৃদয়কে সংযুক্ত করে।ডিজিটাল বিশ্বের ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় সহমর্মিতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সাংস্কৃতিক উপলব্ধি এবং অর্থবহ মানবিক সম্পর্ক তৈরিতে সাহিত্যের দীর্ঘস্থায়ী গুরুত্বের বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন।‘চিন্তন’-এর উদ্বোধনী সংখ্যায় মোট ২৬টি সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কবিতা, ফ্ল্যাশ ফিকশন, ছোটগল্প, সাহিত্যপ্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, ভ্রমণ কাহিনী ও শিল্পকর্ম।উদ্বোধনী সংখ্যায় অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, কানাডা, চীন, ইতালি, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড, সৌদি আরব, সাইবেরিয়া (রাশিয়া), যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের লেখকদের লেখা স্থান পেয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক শামসী আরা হুদা, ফারুক মঈনউদ্দীন, দিলীপ গুহঠাকুরতা, রাজিবুল হোসেন ও ফরিদুর রহমান তাদের নিজ নিজ রচনার অংশবিশেষ পাঠ করেন। সাহিত্যপাঠ পর্ব পরিচালনা করেন ‘চিন্তন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মনজুরুরুল ইসলাম চৌধুরী।পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিষ্ঠাতা লেখকদের হাতে তাদের মূল্যবান অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা সনদ তুলে দেন অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক, শিক্ষাবিদ, প্রকাশক, সাহিত্যপ্রেমী, পাঠক এবং নাগরিক সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় লেখক, পাঠক, ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সহকারী অধ্যাপক সাবরিনা ইসলাম। ‘চিন্তন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৈয়দ আবু জাফরের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। সূত্র: মানবজমিন

লাইফ স্টাইল ১১ আগস্ট ২০২৬

৩০ জুলাই: ইতিহাসের এই দিনে

প্রচলিত আছে, ‘সময় ও স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না।’ সময়ের ধারাবাহিকতায় প্রতিটি দিনই একসময় ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়। আজকের বর্তমানই আগামী দিনের অতীত, আর সেই অতীতের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোই ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেয়।আজ ৩০ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার। ইতিহাসের এই দিনটি নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্ম ও মৃত্যু এবং বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার জন্য স্মরণীয়। চলুন দেখে নেওয়া যাক, ৩০ জুলাইয়ের ইতিহাস।ঘটনাবলি৭৬২ - আব্বাসীয় খলিফা আল-মনসুর বাগদাদ শহর প্রতিষ্ঠা করেন।১৫০২ - চতুর্থ সমুদ্রযাত্রায় ক্রিস্টোফার কলম্বাস হন্ডুরাস উপকূলের গুয়ানায়া দ্বীপে পৌঁছান।১৬০২ - মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় হল্যান্ডের রাজনৈতিক প্রভাব ও ঔপনিবেশিক কার্যক্রমের সূচনা হয়।১৬২৯ - ইতালির নেপলসে ভূমিকম্পে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।১৬৫৬ - পোলিশদের পরাজয়ের মাধ্যমে ওয়ারশ যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।১৯১৪ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।১৯৩৫ - বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইনের প্রথম বই প্রকাশিত হয়।১৯৪৮ - লিভারপুলে বিশ্বের প্রথম বন্দর রাডার কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।১৯৫৭ - ভারতে রপ্তানি সহায়তার জন্য ইসিজিসি লিমিটেড (পূর্বতন এক্সপোর্ট ক্রেডিট গ্যারান্টি কর্পোরেশন লি) গঠিত হয়।১৯৬৯ - মার্কিন নভোখেয়া মেরিনার-৬ পরীক্ষামূলকভাবে মঙ্গল গ্রহ থেকে পৃথিবীতে ছবি পাঠায়।১৯৮০ - পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র ভানুয়াটো স্বাধীনতা অর্জন করে।১৯৯৮ - জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাইজো ওবুচি নির্বাচিত হন।জন্ম১৮১৮ - এমিলি ব্রন্টি, ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি।১৮২২ - অযোধ্যার শেষ নবাব ওয়াজেদ আলি শাহ।১৮৫৫ - জার্মান শিল্পপতি ও সিমেন্স কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জর্জ ভিলহেম ফন সিমেন্স।১৮৬২ - রাশিয়ান জেনারেল নিকোলাই ইউদেনিচ।১৮৬৩ - মার্কিন ব্যবসায়ী এবং বহু উৎপাদন পদ্ধতিতে ব্যবহৃত বিন্যাসকরণ সজ্জার জনক হেনরি ফোর্ড।১৮৭৪ - ব্রিটিশ ফুটবলার বিলি মেরেডিথ।১৮৮২ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী-শহীদ সত্যেন্দ্রনাথ বসু।১৮৮৬ - ভারতীয় চিকিৎসক ও সমাজ সংস্কারক মুথুলক্ষ্মী রেড্ডী।১৮৮৭ - বাংলাদেশি পরিসংখ্যানবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কাজী মোতাহার হোসেন।১৮৯৩ - পাকিস্তানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ফাতেমা জিন্নাহ।১৮৯৮ - ইংরেজ শিল্পী হেনরি মুর।১৯২৮ - মারাঠি ও হিন্দি চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী সুলোচনা লাটকর।১৯৪৫ - ফরাসি ঔপন্যাসিক পাত্রিক মোদিয়ানো।১৯৪৭ - ফরাসি ভাইরোলজিস্ট ফ্রাঁসোয়াজ বারে সিনৌসি।১৯৪৭ - অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান বডিবিল্ডার, অভিনেতা, মডেল, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার।১৯৪৮ - মরোক্কো ও ফরাসি অভিনেতা জঁ রেনো।১৯৫৫ - বাংলাদেশি অভিনেত্রী ববিতা।১৯৬০ - মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার রিচার্ড লিংকলেটার।১৯৬১ - মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার লরেন্স ফিশবার্ন।১৯৬৪ - জার্মান ফুটবলার ও কোচ ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান।১৯৬৫ - ইংলিশ ক্রিকেটার টিম মানটন।১৯৬৯ - সাবেক দক্ষিণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও রাগবি ইউনিয়ন খেলোয়াড় এরল স্টুয়ার্ট।১৯৭০ - ইংরেজ-মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার ক্রিস্টোফার নোলান।১৯৭৩ - ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী সোনু নিগম।১৯৭৪ - মার্কিন অভিনেত্রী হিলারি সোয়াঙ্ক।১৯৭৫ - বাংলাদেশি অভিনেত্রী, সাংবাদিক ও উপস্থাপক তাজিন আহমেদ।১৯৮২ - ইংরেজ ক্রিকেটার জেমস অ্যান্ডারসন।১৯৯২ - ইতালীয়-মার্কিন দাবাড়ু ফাবিয়ানো কারুয়ানা।১৯৯৫ - মেক্সিকান ফুটবলার ইরভিং লোজানো।১৯৯৬ - বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী সাবরিনা পড়শী।মৃত্যু১৬২৩ - হিন্দি ভাষার অন্যতম কবি তুলসীদাস।১৭৭১ - ইংরেজ কবি থমাস গ্রে।১৮৯৮ - জার্মান সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রথম জার্মান চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক।১৯৪৭ - ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার জর্জ চ্যালেনর।১৯৫৬ - বাঙালি পণ্ডিত ও বাংলা শব্দকোষ প্রণেতা যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি।১৯৮০ - বাঙালি চারুশিল্পী গোপাল ঘোষ।১৯৮৪ - ইংরেজ ক্রিকেটার মরিস ট্রেমলেট।১৯৮৭ - ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়।১৯৯৫ - প্রাবন্ধিক ও ‘এক্ষণ’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক নির্মাল্য আচার্য।২০০৪ - ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ, ইতিহাসবিদ ও শিক্ষাবিদ হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।২০০৭ - সুইডিশ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র পরিচালক ইংমার বারিমান।২০০৭ - ইতালীয় আধুনিকতাবাদী চলচ্চিত্র পরিচালক মিকেলাঞ্জেলো আন্তোনিওনি।২০২০ - ভারতের লেপচা সংস্কৃতির ধারক, বাহক ও সংরক্ষক সোনম শেরিং লেপচা। ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, জন্ম ও মৃত্যুর সংক্ষিপ্ত তালিকা। সূত্র: যুগান্তর।

লাইফ স্টাইল ৩০ জুলাই ২০২৬

আজ ন্যাশনাল লিপস্টিক ডে: ইতিহাস, গুরুত্ব ও উদযাপনের উপায়

প্রতি বছর ২৯ জুলাই বিশ্বজুড়ে সৌন্দর্যচর্চায় আগ্রহীদের মধ্যে ন্যাশনাল লিপস্টিক ডে পালন করা হয়। এটি জাতিসংঘ ঘোষিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়। তবে প্রসাধনী শিল্প, বিউটি ব্র্যান্ড, মেকআপ শিল্পী এবং সৌন্দর্যপ্রেমীদের কাছে দিনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন প্রসাধনী প্রতিষ্ঠান বিশেষ ছাড়, নতুন পণ্য উন্মোচন এবং বিভিন্ন প্রচারণার আয়োজন করে।পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো ইতিহাসলিপস্টিকের ব্যবহার প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরোনো বলে ইতিহাসবিদদের ধারণা। তাদের মতে, প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার নারীরা মূল্যবান রত্ন গুঁড়ো করে ঠোঁট রাঙাতেন। পরবর্তীতে প্রাচীন মিসরে রানি ক্লিওপেট্রাসহ অভিজাত নারীরা কারমিন রঞ্জকসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতেন। একই সময়ে সিন্ধু সভ্যতা ও প্রাচীন চীনেও ঠোঁট রাঙানোর প্রচলন ছিল।আধুনিক লিপস্টিকের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয় ১৮৮৪ সালে। সে সময় ফ্রান্সের প্রসাধনী নির্মাতারা প্রথম এটি বাজারে আনেন। পরে বিংশ শতাব্দীতে সিনেমা, ফ্যাশন ও প্রসাধনী শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে লিপস্টিক বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করে।একসময় ছিল বিতর্কের কেন্দ্রেওবর্তমানে বহুল ব্যবহৃত এই প্রসাধনী একসময় নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। ১৮শ শতকে ইউরোপের কিছু সমাজে লিপস্টিককে অনৈতিকতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ব্রিটেনেও লিপস্টিক ব্যবহারের বিষয়টি সামাজিক ও আইনি বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সেই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে এবং এখন এটি সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও আত্মপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত।ন্যাশনাল লিপস্টিক ডে যেভাবে পরিচিতি পায়২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিউটি উদ্যোক্তা হুদা কাট্টান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ন্যাশনাল লিপস্টিক ডে উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়ার পর দিনটি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। এরপর থেকে প্রতি বছরের ২৯ জুলাই বিশ্বজুড়ে বিউটি কমিউনিটিতে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।দিবসটি উপলক্ষে যা করতে পারেনবিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী—নিজের ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের শেড নির্বাচন করুন।লিপস্টিক ব্যবহারের আগে লিপবাম লাগিয়ে ঠোঁট আর্দ্র রাখুন।নিম্নমানের বা মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।দিনের শেষে লিপস্টিক সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার করে ফেলুন।নতুন কোনো রং বা স্টাইল ব্যবহার করে নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই লুক তৈরি করতে পারেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক বার্তার মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করতে পারেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, লিপস্টিক শুধু সৌন্দর্যচর্চার একটি উপকরণ নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও আত্মপ্রকাশেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পাশাপাশি সুস্থ ঠোঁটের জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ প্রসাধনী ব্যবহার এবং নিয়মিত ঠোঁটের যত্ন নেওয়াও সমানভাবে প্রয়োজন।সূত্র: news24bd.tv

লাইফ স্টাইল ২৯ জুলাই ২০২৬

বিনামূল্যে আইডি ভেরিফিকেশন সুবিধা আনছে মেটা, ভিডিও সেলফিতেই মিলবে নতুন ব্যাজ

সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন একটি পরিচয় যাচাই (ভেরিফিকেশন) সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা। এতদিন নীল টিক বা ভেরিফায়েড ব্যাজ মূলত পরিচিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা অর্থের বিনিময়ে Meta Verified গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার বিনামূল্যে পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়া হবে।মেটার নতুন Facebook Verified ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও সেলফি জমা দিয়ে নিজেদের পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। ভিডিওটি অ্যাকাউন্টে থাকা প্রোফাইল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। যাচাই সফল হলে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে একটি বিশেষ ভেরিফিকেশন ব্যাজ যুক্ত হবে।এই সুবিধা পেতে হলে ব্যবহারকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টটি ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ভালো অবস্থায় থাকতে হবে এবং ভুয়া পরিচয়, প্রতারণা বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের কোনো ইতিহাস থাকা যাবে না।পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হলে ব্যাজটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিংসহ বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হবে। ভবিষ্যতে নিউজ ফিডেও এই ব্যাজ দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে মেটা।মেটা জানিয়েছে, এই নতুন Facebook Verified এবং অর্থের বিনিময়ে পাওয়া Meta Verified এক নয়। নতুন ভেরিফিকেশনটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং এটি শুধু একজন বাস্তব ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে Meta Verified-এ মাসিক সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে নীল টিকের পাশাপাশি অতিরিক্ত গ্রাহক সহায়তা, পরিচয় চুরি থেকে সুরক্ষা এবং বিভিন্ন প্রিমিয়াম সুবিধা পাওয়া যায়।প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির কারণে ভুয়া ছবি, ভুয়া পরিচয় ও প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রকৃত ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করতে এবং ভুয়া পরিচয়ের ঝুঁকি কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে মেটা স্পষ্ট করেছে, এই ব্যাজ কোনো ব্যক্তির সততা বা বিশ্বাসযোগ্যতার নিশ্চয়তা দেয় না; এটি কেবল পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হওয়ার প্রমাণ।মেটা জানিয়েছে, ফিচারটি ধাপে ধাপে চালু করা হবে। শুরুতে নির্বাচিত কয়েকটি দেশে এটি চালু হবে এবং পরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য দেশেও সম্প্রসারণ করা হবে।সূত্র: এনগ্যাজেট

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি ২৫ জুলাই ২০২৬