উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, লেখক, অনুবাদক ও প্রফেসর ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘চিন্তন’-এর সম্পাদক তাসনীম হোসাইন।
‘চিন্তন’-এর ওয়েবসাইট উদ্বোধন করে ড. ফকরুল আলম এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি সাহিত্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ‘চিন্তন’কে একটি সম্ভাবনাময় দ্বিভাষিক অনলাইন সাহিত্যপত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখক ও পাঠকদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির মাধ্যমে এর সম্পাদকীয় দল সমকালীন সাহিত্যে দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
স্বাগত বক্তব্যে ‘চিন্তন’-এর লক্ষ্য ও দর্শন তুলে ধরেন সম্পাদক তাসনীম হোসাইন। তিনি বলেন, সাহিত্য ভৌগোলিক ও ভাষাগত বিভাজন অতিক্রম করে চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং অভিন্ন মানবিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষকে কাছাকাছি আনতে পারে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিষ্ঠিত ও নবীন লেখকদের জন্য ‘চিন্তন’ একটি আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক মিলনমঞ্চ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ‘Why Literature Still Matters in this Digital Era’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান তাকাদ আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘Technology connects our devices, literature connects our hearts’—প্রযুক্তি আমাদের যন্ত্রগুলোকে যুক্ত করে, আর সাহিত্য আমাদের হৃদয়কে সংযুক্ত করে।
ডিজিটাল বিশ্বের ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় সহমর্মিতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সাংস্কৃতিক উপলব্ধি এবং অর্থবহ মানবিক সম্পর্ক তৈরিতে সাহিত্যের দীর্ঘস্থায়ী গুরুত্বের বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন।
‘চিন্তন’-এর উদ্বোধনী সংখ্যায় মোট ২৬টি সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কবিতা, ফ্ল্যাশ ফিকশন, ছোটগল্প, সাহিত্যপ্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, ভ্রমণ কাহিনী ও শিল্পকর্ম।
উদ্বোধনী সংখ্যায় অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, কানাডা, চীন, ইতালি, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড, সৌদি আরব, সাইবেরিয়া (রাশিয়া), যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের লেখকদের লেখা স্থান পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক শামসী আরা হুদা, ফারুক মঈনউদ্দীন, দিলীপ গুহঠাকুরতা, রাজিবুল হোসেন ও ফরিদুর রহমান তাদের নিজ নিজ রচনার অংশবিশেষ পাঠ করেন। সাহিত্যপাঠ পর্ব পরিচালনা করেন ‘চিন্তন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মনজুরুরুল ইসলাম চৌধুরী।
পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিষ্ঠাতা লেখকদের হাতে তাদের মূল্যবান অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা সনদ তুলে দেন অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক, শিক্ষাবিদ, প্রকাশক, সাহিত্যপ্রেমী, পাঠক এবং নাগরিক সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় লেখক, পাঠক, ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সহকারী অধ্যাপক সাবরিনা ইসলাম। ‘চিন্তন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৈয়দ আবু জাফরের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
সূত্র: মানবজমিন

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, লেখক, অনুবাদক ও প্রফেসর ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘চিন্তন’-এর সম্পাদক তাসনীম হোসাইন।
‘চিন্তন’-এর ওয়েবসাইট উদ্বোধন করে ড. ফকরুল আলম এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি সাহিত্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ‘চিন্তন’কে একটি সম্ভাবনাময় দ্বিভাষিক অনলাইন সাহিত্যপত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখক ও পাঠকদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির মাধ্যমে এর সম্পাদকীয় দল সমকালীন সাহিত্যে দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
স্বাগত বক্তব্যে ‘চিন্তন’-এর লক্ষ্য ও দর্শন তুলে ধরেন সম্পাদক তাসনীম হোসাইন। তিনি বলেন, সাহিত্য ভৌগোলিক ও ভাষাগত বিভাজন অতিক্রম করে চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং অভিন্ন মানবিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষকে কাছাকাছি আনতে পারে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিষ্ঠিত ও নবীন লেখকদের জন্য ‘চিন্তন’ একটি আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক মিলনমঞ্চ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ‘Why Literature Still Matters in this Digital Era’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান তাকাদ আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘Technology connects our devices, literature connects our hearts’—প্রযুক্তি আমাদের যন্ত্রগুলোকে যুক্ত করে, আর সাহিত্য আমাদের হৃদয়কে সংযুক্ত করে।
ডিজিটাল বিশ্বের ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় সহমর্মিতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সাংস্কৃতিক উপলব্ধি এবং অর্থবহ মানবিক সম্পর্ক তৈরিতে সাহিত্যের দীর্ঘস্থায়ী গুরুত্বের বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন।
‘চিন্তন’-এর উদ্বোধনী সংখ্যায় মোট ২৬টি সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কবিতা, ফ্ল্যাশ ফিকশন, ছোটগল্প, সাহিত্যপ্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, ভ্রমণ কাহিনী ও শিল্পকর্ম।
উদ্বোধনী সংখ্যায় অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, কানাডা, চীন, ইতালি, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড, সৌদি আরব, সাইবেরিয়া (রাশিয়া), যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের লেখকদের লেখা স্থান পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক শামসী আরা হুদা, ফারুক মঈনউদ্দীন, দিলীপ গুহঠাকুরতা, রাজিবুল হোসেন ও ফরিদুর রহমান তাদের নিজ নিজ রচনার অংশবিশেষ পাঠ করেন। সাহিত্যপাঠ পর্ব পরিচালনা করেন ‘চিন্তন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মনজুরুরুল ইসলাম চৌধুরী।
পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিষ্ঠাতা লেখকদের হাতে তাদের মূল্যবান অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা সনদ তুলে দেন অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক, শিক্ষাবিদ, প্রকাশক, সাহিত্যপ্রেমী, পাঠক এবং নাগরিক সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় লেখক, পাঠক, ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সহকারী অধ্যাপক সাবরিনা ইসলাম। ‘চিন্তন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৈয়দ আবু জাফরের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
সূত্র: মানবজমিন

আপনার মতামত লিখুন