শুধু তথ্য পাওয়াই যথেষ্ট নয়; তথ্যের সত্যতা, উৎস এবং কী উদ্দেশ্যে তা প্রচার করা হচ্ছে সেটি যাচাই করে দায়িত্বশীল তথ্যচর্চা জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে আমরা খুব অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারছি। একই সঙ্গে ভুল, অসম্পূর্ণ কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্যও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। ‘ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ : অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা’ প্রতিপাদ্যে নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে ওই র্যালির আয়োজন করে। র্যালিতে অংশ নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। উপাচার্য আরও বলেন, বর্তমানে যার কাছে তথ্য রয়েছে, তিনিই সবচেয়ে জ্ঞানী। এ সময় প্রতিষ্ঠানে কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতে তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এছাড়াও তিনি নোবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রত্যেককে তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে দায়িত্বশীল তথ্যচর্চার আহ্বান জানান।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ) ইফতেখার হোসাইনের সঞ্চালনায় এবং পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে আয়োজিত র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রারম্ভস্থলে এসে শেষ হয়।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুধু তথ্য পাওয়াই যথেষ্ট নয়; তথ্যের সত্যতা, উৎস এবং কী উদ্দেশ্যে তা প্রচার করা হচ্ছে সেটি যাচাই করে দায়িত্বশীল তথ্যচর্চা জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে আমরা খুব অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারছি। একই সঙ্গে ভুল, অসম্পূর্ণ কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্যও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। ‘ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ : অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা’ প্রতিপাদ্যে নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে ওই র্যালির আয়োজন করে। র্যালিতে অংশ নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। উপাচার্য আরও বলেন, বর্তমানে যার কাছে তথ্য রয়েছে, তিনিই সবচেয়ে জ্ঞানী। এ সময় প্রতিষ্ঠানে কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতে তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এছাড়াও তিনি নোবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রত্যেককে তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে দায়িত্বশীল তথ্যচর্চার আহ্বান জানান।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ) ইফতেখার হোসাইনের সঞ্চালনায় এবং পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে আয়োজিত র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রারম্ভস্থলে এসে শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন