সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের সরবরাহ করা খাবারের মান নিয়ে ফের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও রোগীদের পাতে জুটছে নিম্নমানের খাবার।
হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরের খাবারে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে সাদা ভাত, আলু বেশি ও মাংসের পরিমাণ কম এমন পাতলা ঝোল। অনেক ক্ষেত্রে মাংসের টুকরা খুঁজে পাওয়া কঠিন। অভিযোগ রয়েছে, বাজার থেকে বাতিল ও নিম্নমানের আলু দিয়ে রান্না করা হচ্ছে। রান্নার মান ও পরিবেশনের অবস্থাও অস্বাস্থ্যকর।
ভর্তি একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, এই খাবার খেয়ে একজন অপারেশনের রোগী বা প্রসূতি মায়ের পুষ্টি চাহিদা মেটা সম্ভব নয়। ফলে সামর্থ্যবানরা বাইরের হোটেল থেকে খাবার কিনে আনছেন, আর দরিদ্র রোগীরা বাধ্য হয়ে এই খাবারই গ্রহণ করছেন।
জানা গেছে, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একজন রোগীর দৈনিক খাদ্য তালিকায় ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বা মাংস বা ডিম এবং ফল থাকার কথা। এজন্য সরকার প্রতি বছর মোটা অঙ্কের বরাদ্দ দিয়ে থাকে। কিন্তু শ্যামনগর হাসপাতালে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি শক্তিশালী টেন্ডার সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের খাদ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে। বরাদ্দের সঠিক মনিটরিং না থাকায় নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী খাবারের মান উন্নয়ন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের সরবরাহ করা খাবারের মান নিয়ে ফের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও রোগীদের পাতে জুটছে নিম্নমানের খাবার।
হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরের খাবারে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে সাদা ভাত, আলু বেশি ও মাংসের পরিমাণ কম এমন পাতলা ঝোল। অনেক ক্ষেত্রে মাংসের টুকরা খুঁজে পাওয়া কঠিন। অভিযোগ রয়েছে, বাজার থেকে বাতিল ও নিম্নমানের আলু দিয়ে রান্না করা হচ্ছে। রান্নার মান ও পরিবেশনের অবস্থাও অস্বাস্থ্যকর।
ভর্তি একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, এই খাবার খেয়ে একজন অপারেশনের রোগী বা প্রসূতি মায়ের পুষ্টি চাহিদা মেটা সম্ভব নয়। ফলে সামর্থ্যবানরা বাইরের হোটেল থেকে খাবার কিনে আনছেন, আর দরিদ্র রোগীরা বাধ্য হয়ে এই খাবারই গ্রহণ করছেন।
জানা গেছে, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একজন রোগীর দৈনিক খাদ্য তালিকায় ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বা মাংস বা ডিম এবং ফল থাকার কথা। এজন্য সরকার প্রতি বছর মোটা অঙ্কের বরাদ্দ দিয়ে থাকে। কিন্তু শ্যামনগর হাসপাতালে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি শক্তিশালী টেন্ডার সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের খাদ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে। বরাদ্দের সঠিক মনিটরিং না থাকায় নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী খাবারের মান উন্নয়ন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন