কথার চেয়ে কাজের দাম বেশি — আবারও প্রমাণ করলেন কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলম।
বর্ষা মৌসুমে কৈখালী ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছিল। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
দীর্ঘদিনেও রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগে ছিলেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। অবশেষে সেই দুর্ভোগ দূর করতে এগিয়ে এলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলম।
তিনি নিজ অর্থে ও নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে দিয়েছেন। বর্তমানে ওই রাস্তা দিয়ে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী জানান, নির্বাচনের আগেই এমন মহতী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। একজন জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের জন্য কাজ করার এই মানসিকতা এলাকার মানুষের মন জয় করেছে।
এ বিষয়ে গাজী শাহ আলম বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতি দিতে আসিনি, কাজ করে দেখাতে এসেছি। এই রাস্তা দিয়ে আমার মা-বোন, ভাই-ভাতিজারা চলাচল করে। তাদের কষ্ট আমি নিজের চোখে দেখেছি। তাই যতটুকু পেরেছি, করেছি। আগামীতেও কৈখালীবাসীর পাশে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।”
রাস্তা সংস্কারের পর এলাকায় আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
কথার চেয়ে কাজের দাম বেশি — আবারও প্রমাণ করলেন কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলম।
বর্ষা মৌসুমে কৈখালী ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছিল। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
দীর্ঘদিনেও রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগে ছিলেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। অবশেষে সেই দুর্ভোগ দূর করতে এগিয়ে এলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলম।
তিনি নিজ অর্থে ও নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে দিয়েছেন। বর্তমানে ওই রাস্তা দিয়ে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী জানান, নির্বাচনের আগেই এমন মহতী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। একজন জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের জন্য কাজ করার এই মানসিকতা এলাকার মানুষের মন জয় করেছে।
এ বিষয়ে গাজী শাহ আলম বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতি দিতে আসিনি, কাজ করে দেখাতে এসেছি। এই রাস্তা দিয়ে আমার মা-বোন, ভাই-ভাতিজারা চলাচল করে। তাদের কষ্ট আমি নিজের চোখে দেখেছি। তাই যতটুকু পেরেছি, করেছি। আগামীতেও কৈখালীবাসীর পাশে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।”
রাস্তা সংস্কারের পর এলাকায় আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

আপনার মতামত লিখুন