জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে পকেট কমিটি গঠন এবং শিক্ষকদের বেতন-ভাতা আটকে রেখে অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও সুবিচার চেয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম তাঁর নিকটাত্মীয়দের নিয়ে একটি পকেট কমিটি গঠন করে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের সরকারি অংশের বেতন-ভাতা বিতরণেও স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নিচ্ছেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠানটির ১৫ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন শিক্ষকের টানা ৯, ৮ ও ৬ মাসের বেতন-ভাতা আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বন্ধ থাকা বেতন-ভাতা ছাড়ের অনুরোধ জানালে অধ্যক্ষ প্রত্যেক শিক্ষকের কাছে তিন লাখ টাকা করে দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা আটকে থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন উঠাননি।
অন্যদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আজাদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আগামী সপ্তাহে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে পকেট কমিটি গঠন এবং শিক্ষকদের বেতন-ভাতা আটকে রেখে অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও সুবিচার চেয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম তাঁর নিকটাত্মীয়দের নিয়ে একটি পকেট কমিটি গঠন করে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের সরকারি অংশের বেতন-ভাতা বিতরণেও স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নিচ্ছেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠানটির ১৫ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন শিক্ষকের টানা ৯, ৮ ও ৬ মাসের বেতন-ভাতা আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বন্ধ থাকা বেতন-ভাতা ছাড়ের অনুরোধ জানালে অধ্যক্ষ প্রত্যেক শিক্ষকের কাছে তিন লাখ টাকা করে দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা আটকে থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন উঠাননি।
অন্যদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আজাদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আগামী সপ্তাহে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন