বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলের বন্যা বইয়ে ফ্রান্সকে ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। শনিবার মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর এই ম্যাচের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ইংলিশরা।
ম্যাচে মোট ১০টি গোল হওয়ায় এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের যৌথভাবে পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ১৯৮২ সালের পর প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে দুই দল মিলে ১০ গোল হলো। এর আগে ১৯৮২ সালে হাঙ্গেরি ১০-১ ব্যবধানে এল সালভাদরকে হারানোর ম্যাচে ১১ গোল হয়েছিল। বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১২ গোলের রেকর্ড এখনও ১৯৫৪ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রিয়ার ৭-৫ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারানোর ম্যাচের দখলে।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচগুলোর তালিকায় রয়েছে— ১৯৫৪ সালে অস্ট্রিয়া ৭-৫ সুইজারল্যান্ড (১২), ১৯৩৮ সালে ব্রাজিল ৬-৫ পোল্যান্ড (১১), ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরি ৮-৩ পশ্চিম জার্মানি (১১), ১৯৮২ সালে হাঙ্গেরি ১০-১ এল সালভাদর (১১), ১৯৫৮ সালে ফ্রান্স ৭-৩ প্যারাগুয়ে (১০) এবং ২০২৬ সালে ইংল্যান্ড ৬-৪ ফ্রান্স (১০)।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই ডেকলান রাইস, এজরি কনসা এবং বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। বিরতির পর ফ্রান্স টানা তিনটি গোল করে ব্যবধান ৪-৩-এ নামিয়ে আনে। তবে শেষ পর্যন্ত সমতায় ফিরতে পারেনি তারা। ম্যাচের শেষদিকে আরও দুটি গোল করে ৬-৪ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের ইতিহাসেও এটিই সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ। এর আগে ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের ৬-৩ গোলে পশ্চিম জার্মানিকে হারানোর ম্যাচে মোট ৯টি গোল হয়েছিল। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান অর্জন করল ইংল্যান্ড। এর আগে ১৯৯০ সালে ইতালির কাছে ২-১ এবং ২০১৮ সালে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরে চতুর্থ স্থানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল দলটিকে।
এই ম্যাচের মাধ্যমে বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ৬ গোলের রেকর্ডেও যোগ হলো নতুন একটি অধ্যায়। এর আগে ২০১৮ বিশ্বকাপে পানামার বিপক্ষে ৬-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংলিশরা।
অন্যদিকে, এই ম্যাচে একাধিক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েছে ফ্রান্স। বিশ্বকাপ বা ইউরোর কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে এবারই প্রথম তারা চার গোল হজম করেছে। প্রায় ৭০ বছর পর প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে চার গোল খাওয়ার ঘটনাও এটি। সবশেষ ১৯৫৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই এমন হয়েছিল। এছাড়া বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার এক ম্যাচে ৬ গোল হজম করল ফ্রান্স। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ ছিল ১৯৫৮ সালের সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ৫ গোল।
ফলে ১৪ বছর দায়িত্ব পালন শেষে বিদায়ী ম্যাচে কোচ দিদিয়ের দেশমকে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স লড়াইয়ে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল হজমের রেকর্ড নিয়েই ম্যাচ শেষ করে তারা।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলের বন্যা বইয়ে ফ্রান্সকে ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। শনিবার মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর এই ম্যাচের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ইংলিশরা।
ম্যাচে মোট ১০টি গোল হওয়ায় এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের যৌথভাবে পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ১৯৮২ সালের পর প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে দুই দল মিলে ১০ গোল হলো। এর আগে ১৯৮২ সালে হাঙ্গেরি ১০-১ ব্যবধানে এল সালভাদরকে হারানোর ম্যাচে ১১ গোল হয়েছিল। বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১২ গোলের রেকর্ড এখনও ১৯৫৪ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রিয়ার ৭-৫ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারানোর ম্যাচের দখলে।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচগুলোর তালিকায় রয়েছে— ১৯৫৪ সালে অস্ট্রিয়া ৭-৫ সুইজারল্যান্ড (১২), ১৯৩৮ সালে ব্রাজিল ৬-৫ পোল্যান্ড (১১), ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরি ৮-৩ পশ্চিম জার্মানি (১১), ১৯৮২ সালে হাঙ্গেরি ১০-১ এল সালভাদর (১১), ১৯৫৮ সালে ফ্রান্স ৭-৩ প্যারাগুয়ে (১০) এবং ২০২৬ সালে ইংল্যান্ড ৬-৪ ফ্রান্স (১০)।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই ডেকলান রাইস, এজরি কনসা এবং বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। বিরতির পর ফ্রান্স টানা তিনটি গোল করে ব্যবধান ৪-৩-এ নামিয়ে আনে। তবে শেষ পর্যন্ত সমতায় ফিরতে পারেনি তারা। ম্যাচের শেষদিকে আরও দুটি গোল করে ৬-৪ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের ইতিহাসেও এটিই সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ। এর আগে ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের ৬-৩ গোলে পশ্চিম জার্মানিকে হারানোর ম্যাচে মোট ৯টি গোল হয়েছিল। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান অর্জন করল ইংল্যান্ড। এর আগে ১৯৯০ সালে ইতালির কাছে ২-১ এবং ২০১৮ সালে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরে চতুর্থ স্থানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল দলটিকে।
এই ম্যাচের মাধ্যমে বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ৬ গোলের রেকর্ডেও যোগ হলো নতুন একটি অধ্যায়। এর আগে ২০১৮ বিশ্বকাপে পানামার বিপক্ষে ৬-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংলিশরা।
অন্যদিকে, এই ম্যাচে একাধিক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েছে ফ্রান্স। বিশ্বকাপ বা ইউরোর কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে এবারই প্রথম তারা চার গোল হজম করেছে। প্রায় ৭০ বছর পর প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে চার গোল খাওয়ার ঘটনাও এটি। সবশেষ ১৯৫৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই এমন হয়েছিল। এছাড়া বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার এক ম্যাচে ৬ গোল হজম করল ফ্রান্স। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ ছিল ১৯৫৮ সালের সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ৫ গোল।
ফলে ১৪ বছর দায়িত্ব পালন শেষে বিদায়ী ম্যাচে কোচ দিদিয়ের দেশমকে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স লড়াইয়ে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল হজমের রেকর্ড নিয়েই ম্যাচ শেষ করে তারা।

আপনার মতামত লিখুন