ঢাকা    রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

শিক্ষাঙ্গন

মার্কিন ভিসানীতির পরিবর্তন চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্রমুখী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

মার্কিন ভিসানীতির পরিবর্তন চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্রমুখী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
মার্কিন ভিসানীতির পরিবর্তন চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্রমুখী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ও অবস্থানসংক্রান্ত নিয়মে একাধিক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে, যা কার্যকর হলে দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে অধ্যয়নরত অনেক শিক্ষার্থী নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে পারেন।

নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসার মেয়াদ পাঁচ বছরের পরিবর্তে চার বছর করা হবে। একই সঙ্গে ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ও চার বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের পরও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হলে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (ইউএসসিআইএস) কাছে অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে হবে।

এতদিন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান বৃদ্ধির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডেজিগনেটেড স্কুল অফিসিয়ালের (ডিএসও) ভূমিকা থাকলেও নতুন নীতিতে সেই সুযোগ সীমিত করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা একাডেমিক প্রোগ্রাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলা হয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার ‘গ্রেস পিরিয়ড’ ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন করার পরিকল্পনা। এই সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রমে ভর্তি, অন্য ভিসার জন্য আবেদন অথবা নিজ দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন আইনজীবী রাজু মহাজনের ভাষ্য, বর্তমানে পাঁচ বছরের ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও নতুন ব্যবস্থার আওতায় চলে আসবেন।

নতুন নীতিমালা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার রোধ করা এবং নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা।

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থী বর্ণনা ভৌমিক বলেন, নিয়ম পরিবর্তনের কারণে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনা করছেন, তাদের বড় ধরনের সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা তিনি দেখছেন না। তার মতে, যারা ভর্তি অবস্থায় নেই বা এক প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রামে অনিয়মিতভাবে পরিবর্তন করেছেন, তারাই বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন।

পিএইচডি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার নোবেল মনে করেন, নতুন নীতির লক্ষ্য মূলত স্টুডেন্ট ভিসা ব্যবহার করে অন্য উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারীদের নিরুৎসাহিত করা। বৈধভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মের প্রভাব বেশি পড়তে পারে, কারণ এসব কোর্স শেষ করতে প্রায়ই চার বছরের বেশি সময় লাগে। তবে রাজু মহাজনের মতে, নিয়ম মেনে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে আবেদন করলে অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ঝুঁকিতে থাকবেন মূলত যারা স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেন।

পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগেও কিছু পরিবর্তনের বিষয় সামনে এসেছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ (ওপিটি) কর্মসূচির আওতায় কাজের সুযোগ পান। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, স্টেম বিষয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ তিন বছর এবং নন-স্টেম বিষয়ের শিক্ষার্থীরা এক বছর পর্যন্ত ওপিটির সুবিধা পান।

রাজু মহাজন জানান, গ্র্যাজুয়েশন শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে ওপিটির আবেদন করা যায়। আবেদন অনুমোদনের পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে চাকরি খুঁজে নিতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাকরি না পেলে ওপিটির সুবিধা হারানোর ঝুঁকি থাকে। তবে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড নিয়ে তিনি বলেন, মার্কিন শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরনের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে এবং নতুন প্রস্তাবে তার একটি অংশে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।

তার মতে, সামগ্রিকভাবে নতুন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে বৈধ ও অবৈধ—উভয় ধরনের অভিবাসন নীতিতেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে তার প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় কিছু অভিজাত কলেজে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচক বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থী ভিসা প্রক্রিয়াও আরও কঠোর করা হয়েছে। গত বছরের জুনে ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইয়ের নিয়ম জোরদার করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়, যা ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানতের ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬


মার্কিন ভিসানীতির পরিবর্তন চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্রমুখী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ও অবস্থানসংক্রান্ত নিয়মে একাধিক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে, যা কার্যকর হলে দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে অধ্যয়নরত অনেক শিক্ষার্থী নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে পারেন।

নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসার মেয়াদ পাঁচ বছরের পরিবর্তে চার বছর করা হবে। একই সঙ্গে ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ও চার বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের পরও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হলে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (ইউএসসিআইএস) কাছে অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে হবে।

এতদিন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান বৃদ্ধির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডেজিগনেটেড স্কুল অফিসিয়ালের (ডিএসও) ভূমিকা থাকলেও নতুন নীতিতে সেই সুযোগ সীমিত করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা একাডেমিক প্রোগ্রাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলা হয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার ‘গ্রেস পিরিয়ড’ ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন করার পরিকল্পনা। এই সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রমে ভর্তি, অন্য ভিসার জন্য আবেদন অথবা নিজ দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন আইনজীবী রাজু মহাজনের ভাষ্য, বর্তমানে পাঁচ বছরের ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও নতুন ব্যবস্থার আওতায় চলে আসবেন।

নতুন নীতিমালা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার রোধ করা এবং নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা।

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থী বর্ণনা ভৌমিক বলেন, নিয়ম পরিবর্তনের কারণে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনা করছেন, তাদের বড় ধরনের সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা তিনি দেখছেন না। তার মতে, যারা ভর্তি অবস্থায় নেই বা এক প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রামে অনিয়মিতভাবে পরিবর্তন করেছেন, তারাই বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন।

পিএইচডি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার নোবেল মনে করেন, নতুন নীতির লক্ষ্য মূলত স্টুডেন্ট ভিসা ব্যবহার করে অন্য উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারীদের নিরুৎসাহিত করা। বৈধভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মের প্রভাব বেশি পড়তে পারে, কারণ এসব কোর্স শেষ করতে প্রায়ই চার বছরের বেশি সময় লাগে। তবে রাজু মহাজনের মতে, নিয়ম মেনে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে আবেদন করলে অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ঝুঁকিতে থাকবেন মূলত যারা স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেন।

পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগেও কিছু পরিবর্তনের বিষয় সামনে এসেছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ (ওপিটি) কর্মসূচির আওতায় কাজের সুযোগ পান। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, স্টেম বিষয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ তিন বছর এবং নন-স্টেম বিষয়ের শিক্ষার্থীরা এক বছর পর্যন্ত ওপিটির সুবিধা পান।

রাজু মহাজন জানান, গ্র্যাজুয়েশন শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে ওপিটির আবেদন করা যায়। আবেদন অনুমোদনের পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে চাকরি খুঁজে নিতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাকরি না পেলে ওপিটির সুবিধা হারানোর ঝুঁকি থাকে। তবে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড নিয়ে তিনি বলেন, মার্কিন শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরনের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে এবং নতুন প্রস্তাবে তার একটি অংশে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।

তার মতে, সামগ্রিকভাবে নতুন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে বৈধ ও অবৈধ—উভয় ধরনের অভিবাসন নীতিতেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে তার প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় কিছু অভিজাত কলেজে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচক বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থী ভিসা প্রক্রিয়াও আরও কঠোর করা হয়েছে। গত বছরের জুনে ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইয়ের নিয়ম জোরদার করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়, যা ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানতের ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মার্কিন ভিসানীতির পরিবর্তন চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্রমুখী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
0:00 0:00
1.0x