ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে জাপানের সহযোগিতা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, এ সহযোগিতার ফলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরে পরিচালিত এসব হামলায় বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারাচ্ছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) রুশ বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে রুদেনকো বলেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জাপানি কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা টোকিওর একটি ‘বৈরী পদক্ষেপ’। তার ভাষ্য, এ ধরনের কার্যক্রমের ওপর রাশিয়া নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।
আন্দ্রে রুদেনকোর অভিযোগ, ইউক্রেন নিয়মিত ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার অভ্যন্তরে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। তার দাবি, এসব হামলায় সাধারণ রুশ নাগরিকও নিহত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, জাপানের প্রযুক্তিগত সহায়তা ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এবং মস্কো এটিকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি জাপান সরকার। টোকিওর অবস্থান হলো, ইউক্রেনকে দেওয়া তাদের সহায়তা আন্তর্জাতিক আইন এবং নিজেদের নীতিমালার আওতাতেই পরিচালিত হচ্ছে।
ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়া ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন বেড়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে জাপান রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে কিয়েভকে আর্থিক, মানবিক এবং প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের সহায়তাও দিয়ে আসছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন ইস্যুতে জাপান ও রাশিয়ার অবস্থানগত পার্থক্য দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে সাম্প্রতিক এই অভিযোগ দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে জাপানের সহযোগিতা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, এ সহযোগিতার ফলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরে পরিচালিত এসব হামলায় বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারাচ্ছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) রুশ বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে রুদেনকো বলেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জাপানি কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা টোকিওর একটি ‘বৈরী পদক্ষেপ’। তার ভাষ্য, এ ধরনের কার্যক্রমের ওপর রাশিয়া নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।
আন্দ্রে রুদেনকোর অভিযোগ, ইউক্রেন নিয়মিত ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার অভ্যন্তরে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। তার দাবি, এসব হামলায় সাধারণ রুশ নাগরিকও নিহত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, জাপানের প্রযুক্তিগত সহায়তা ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এবং মস্কো এটিকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি জাপান সরকার। টোকিওর অবস্থান হলো, ইউক্রেনকে দেওয়া তাদের সহায়তা আন্তর্জাতিক আইন এবং নিজেদের নীতিমালার আওতাতেই পরিচালিত হচ্ছে।
ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়া ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন বেড়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে জাপান রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে কিয়েভকে আর্থিক, মানবিক এবং প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের সহায়তাও দিয়ে আসছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন ইস্যুতে জাপান ও রাশিয়ার অবস্থানগত পার্থক্য দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে সাম্প্রতিক এই অভিযোগ দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন