নতুন ইউরোপীয় ইউনিয়ন সীমান্ত ব্যবস্থার কারণে পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণে সময় তিনগুণ বেড়ে যাচ্ছে। রোমের প্রধান বিমানবন্দরে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করার পরও ব্রিটিশদের জন্য পাসপোর্ট পার হওয়ার সময় প্রায় তিনগুণ বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এতে বলা হয়েছে, রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে ইইউ’র নতুন এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেম পরিকাঠামো বাস্তবায়নের পর থেকে যাত্রীদের লাইন বাড়ছে।
এদিকে, রায়নায়ার এয়ারলাইন্স ইউরোপে ভ্রমণকারী যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় হাতে রেখে ভ্রমণের পরামর্শ দিয়েছে এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে।
পর্তুগালের ফারো বিমানবন্দরের সীমান্ত পুলিশও বিবিসি’কে জানিয়েছে যে এই নতুন প্রযুক্তিতে কিছু সমস্যা বা বাগ রয়েছে। তবে তারা আশা প্রকাশ করেছে যে দ্রুতই এই লাইনের জট কমে আসবে।
ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, বেশিরভাগ ইইউ বিমানবন্দরে এ সমস্যা সীমিত আকারেই রয়েছে, এবং তারা সদস্য দেশগুলোকে এই সিস্টেম বাস্তবায়নে সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
নতুন এই ডিজিটাল এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেমের অধীনে শেনজেন জোনে প্রবেশকারী অ-ইইউ নাগরিকদের আঙুলের ছাপ এবং ছবি জমা দিতে হয়।
বর্তমানে মাত্র দুটি দেশ, সুইডেন এবং পর্তুগাল, প্রি-রেজিস্ট্রেশন অ্যাপ ব্যবহার করছে। কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়ম স্থগিত করাও সম্ভব।
ইতালি ও পর্তুগালের মতো জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোতে এই সিস্টেমের প্রভাব স্পষ্ট, এবং পর্যটকরা তাদের নানান অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
অনেক স্থানেই এই কাজ স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে করা হচ্ছে, যা অপেক্ষাকৃত দ্রুত হলেও অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে সমস্যা দেখা
দিচ্ছে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
নতুন ইউরোপীয় ইউনিয়ন সীমান্ত ব্যবস্থার কারণে পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণে সময় তিনগুণ বেড়ে যাচ্ছে। রোমের প্রধান বিমানবন্দরে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করার পরও ব্রিটিশদের জন্য পাসপোর্ট পার হওয়ার সময় প্রায় তিনগুণ বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এতে বলা হয়েছে, রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে ইইউ’র নতুন এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেম পরিকাঠামো বাস্তবায়নের পর থেকে যাত্রীদের লাইন বাড়ছে।
এদিকে, রায়নায়ার এয়ারলাইন্স ইউরোপে ভ্রমণকারী যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় হাতে রেখে ভ্রমণের পরামর্শ দিয়েছে এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে।
পর্তুগালের ফারো বিমানবন্দরের সীমান্ত পুলিশও বিবিসি’কে জানিয়েছে যে এই নতুন প্রযুক্তিতে কিছু সমস্যা বা বাগ রয়েছে। তবে তারা আশা প্রকাশ করেছে যে দ্রুতই এই লাইনের জট কমে আসবে।
ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, বেশিরভাগ ইইউ বিমানবন্দরে এ সমস্যা সীমিত আকারেই রয়েছে, এবং তারা সদস্য দেশগুলোকে এই সিস্টেম বাস্তবায়নে সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
নতুন এই ডিজিটাল এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেমের অধীনে শেনজেন জোনে প্রবেশকারী অ-ইইউ নাগরিকদের আঙুলের ছাপ এবং ছবি জমা দিতে হয়।
বর্তমানে মাত্র দুটি দেশ, সুইডেন এবং পর্তুগাল, প্রি-রেজিস্ট্রেশন অ্যাপ ব্যবহার করছে। কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়ম স্থগিত করাও সম্ভব।
ইতালি ও পর্তুগালের মতো জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোতে এই সিস্টেমের প্রভাব স্পষ্ট, এবং পর্যটকরা তাদের নানান অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
অনেক স্থানেই এই কাজ স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে করা হচ্ছে, যা অপেক্ষাকৃত দ্রুত হলেও অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে সমস্যা দেখা
দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন