ভোলার সদর উপজেলায় চাঁদাবাজি, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ। মামলার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামিদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতকদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিনব্যাপী পরিচালিত অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় মো. ফাহাদ হোসেন রূপক (৩৩), মো. আব্দুল্লাহ (১৯), দিগন্ত চন্দ্র ঘোষ ওরফে শুভ (২৪) এবং নাদিমুল মাওলা ওরফে নাদিমকে (১৯)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই সকালে ভোলা পৌরসভার ভোকেশনাল রোড এলাকায় ব্যবসায়ী ফজলে রাব্বির ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভাঙচুরের পাশাপাশি তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা ফজলে রাব্বির বাবা আবদুল জলিল মিয়ার চরজংলা এলাকার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে জোরপূর্বক ১৯ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। একই দিন রাতে পুনরায় ওই বাড়িতে গিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আবারও চাঁদা দাবি করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আবদুল জলিল মিয়া বাদী হয়ে ১৭ জুলাই ভোলা সদর মডেল থানায় চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
ভোলা সদর মডেল থানা জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
ভোলার সদর উপজেলায় চাঁদাবাজি, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ। মামলার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামিদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতকদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিনব্যাপী পরিচালিত অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় মো. ফাহাদ হোসেন রূপক (৩৩), মো. আব্দুল্লাহ (১৯), দিগন্ত চন্দ্র ঘোষ ওরফে শুভ (২৪) এবং নাদিমুল মাওলা ওরফে নাদিমকে (১৯)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই সকালে ভোলা পৌরসভার ভোকেশনাল রোড এলাকায় ব্যবসায়ী ফজলে রাব্বির ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভাঙচুরের পাশাপাশি তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা ফজলে রাব্বির বাবা আবদুল জলিল মিয়ার চরজংলা এলাকার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে জোরপূর্বক ১৯ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। একই দিন রাতে পুনরায় ওই বাড়িতে গিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আবারও চাঁদা দাবি করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আবদুল জলিল মিয়া বাদী হয়ে ১৭ জুলাই ভোলা সদর মডেল থানায় চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
ভোলা সদর মডেল থানা জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন