সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ১২ ঘণ্টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি ২৬ সেন্টিমিটার এবং সিলেট পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে কুশিয়ারা নদীর আমলশীদ, শেওলা ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানির উচ্চতা যথাক্রমে ৫, ৬ ও ৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে শেরপুর পয়েন্টে পানি ৩ সেন্টিমিটার কমেছে।
একই সময়ে সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার এবং গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। লোভাছড়া নদীর লোভা পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৩০ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
অন্যদিকে ধলাই নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে পানি ৩ সেন্টিমিটার এবং পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, কয়েকটি নদীর পানি বাড়লেও সবগুলোই এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তিনি জানান, ভারতের আসাম ও মেঘালয়ের পাহাড়ি এলাকায় অতিবৃষ্টি না হলে এবং সিলেটে টানা ভারী বর্ষণ না হলে বন্যার আশঙ্কা নেই।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ১২ ঘণ্টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি ২৬ সেন্টিমিটার এবং সিলেট পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে কুশিয়ারা নদীর আমলশীদ, শেওলা ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানির উচ্চতা যথাক্রমে ৫, ৬ ও ৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে শেরপুর পয়েন্টে পানি ৩ সেন্টিমিটার কমেছে।
একই সময়ে সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার এবং গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। লোভাছড়া নদীর লোভা পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৩০ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
অন্যদিকে ধলাই নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে পানি ৩ সেন্টিমিটার এবং পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, কয়েকটি নদীর পানি বাড়লেও সবগুলোই এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তিনি জানান, ভারতের আসাম ও মেঘালয়ের পাহাড়ি এলাকায় অতিবৃষ্টি না হলে এবং সিলেটে টানা ভারী বর্ষণ না হলে বন্যার আশঙ্কা নেই।

আপনার মতামত লিখুন