ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসকে ঘিরে চলমান আন্দোলনের মধ্যে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি সূত্রের বরাতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
সোমবার রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে লেডি হার্ডিঞ্জ হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা। একই দিনে আন্দোলনের দাবিদাওয়া নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে নাড্ডা আন্দোলনকারীদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, তারা সরকারের কাছে তিনটি প্রধান দাবি উপস্থাপন করেছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনের সময় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করা পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
শনিবার আন্দোলনের সমর্থনে ২১ দিনের অনশন পালনরত সোনম ওয়াংচুককে জোর করে হাসপাতালে নেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরদিন হাজারো শিক্ষার্থী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
সোমবার বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে দিল্লি পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এ সময়ের সংঘর্ষে বহু আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।
এদিকে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ করা জাতীয় দায়িত্ব এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে বিরোধী দল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের ইতিহাসের ‘তরুণবিরোধী প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশ্নফাঁসের বিচার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরকারের কাছ থেকে জবাব পাওয়ার পরিবর্তে লাঠিচার্জের মুখোমুখি হচ্ছেন।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসকে ঘিরে চলমান আন্দোলনের মধ্যে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি সূত্রের বরাতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
সোমবার রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে লেডি হার্ডিঞ্জ হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা। একই দিনে আন্দোলনের দাবিদাওয়া নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে নাড্ডা আন্দোলনকারীদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, তারা সরকারের কাছে তিনটি প্রধান দাবি উপস্থাপন করেছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনের সময় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করা পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
শনিবার আন্দোলনের সমর্থনে ২১ দিনের অনশন পালনরত সোনম ওয়াংচুককে জোর করে হাসপাতালে নেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরদিন হাজারো শিক্ষার্থী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
সোমবার বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে দিল্লি পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এ সময়ের সংঘর্ষে বহু আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।
এদিকে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ করা জাতীয় দায়িত্ব এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে বিরোধী দল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের ইতিহাসের ‘তরুণবিরোধী প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশ্নফাঁসের বিচার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরকারের কাছ থেকে জবাব পাওয়ার পরিবর্তে লাঠিচার্জের মুখোমুখি হচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন