পটুয়াখালী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন যুবদল নেতা গাজী আসফাকুর রহমান বিপ্লব। কাজী মাহবুব আলমের দোয়া, মোনাজাত ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি সাবেক এই সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক ভূমিকা ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তার বক্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বক্তব্যে যুবদল নেতা বিপ্লব অভিযোগ করেন, অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালে আলতাফ হোসেন চৌধুরী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করেছেন। এ সময় তিনি জিয়াউল ইসলাম ও মোস্তাক আহমেদ পিনুর মতো নেতাদের ওপর নিপীড়নের বিষয়ও তুলে ধরেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুয়েল বিশ্বাসের বাড়িঘর ভাঙচুর এবং তার বাবার জায়গা জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া আরও অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
যুবদল নেতা বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, স্বৈরাচারী মন্ত্রী থাকা অবস্থায় নিজের দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হলেও আওয়ামী লীগ পরিবারের বিরুদ্ধে প্রথম সংবর্ধনার আয়োজন করে তাদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, যেসব ব্যক্তি অতীতে বারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তারা বর্তমানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও জামায়াত ইসলামকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, অতীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর, জোরপূর্বক জমি দখলসহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে। জুয়েল বিশ্বাসসহ কয়েকজন নেতার ওপর পুলিশি হয়রানি ও নির্যাতনের পেছনেও সাবেক এই এমপির ভূমিকা ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
এ ছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, মন্ত্রী থাকাকালে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মামলার মধ্যে ফেলা হলেও বর্তমানে বিরোধী মতের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে আঁতাত করা হচ্ছে।
দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের ত্যাগের কথা তুলে ধরে বিপ্লব বলেন, যারা রাজপথে জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করেছেন, তাদের মূল্যায়ন না করে সুবিধাবাদীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা কঠোর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
পটুয়াখালী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন যুবদল নেতা গাজী আসফাকুর রহমান বিপ্লব। কাজী মাহবুব আলমের দোয়া, মোনাজাত ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি সাবেক এই সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক ভূমিকা ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তার বক্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বক্তব্যে যুবদল নেতা বিপ্লব অভিযোগ করেন, অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালে আলতাফ হোসেন চৌধুরী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করেছেন। এ সময় তিনি জিয়াউল ইসলাম ও মোস্তাক আহমেদ পিনুর মতো নেতাদের ওপর নিপীড়নের বিষয়ও তুলে ধরেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুয়েল বিশ্বাসের বাড়িঘর ভাঙচুর এবং তার বাবার জায়গা জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া আরও অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
যুবদল নেতা বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, স্বৈরাচারী মন্ত্রী থাকা অবস্থায় নিজের দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হলেও আওয়ামী লীগ পরিবারের বিরুদ্ধে প্রথম সংবর্ধনার আয়োজন করে তাদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, যেসব ব্যক্তি অতীতে বারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তারা বর্তমানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও জামায়াত ইসলামকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, অতীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর, জোরপূর্বক জমি দখলসহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে। জুয়েল বিশ্বাসসহ কয়েকজন নেতার ওপর পুলিশি হয়রানি ও নির্যাতনের পেছনেও সাবেক এই এমপির ভূমিকা ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
এ ছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, মন্ত্রী থাকাকালে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মামলার মধ্যে ফেলা হলেও বর্তমানে বিরোধী মতের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে আঁতাত করা হচ্ছে।
দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের ত্যাগের কথা তুলে ধরে বিপ্লব বলেন, যারা রাজপথে জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করেছেন, তাদের মূল্যায়ন না করে সুবিধাবাদীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা কঠোর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন