ঢাকা    বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

সারাদেশ

দুই বছরেও অধিকাংশ অস্ত্রধারী পলাতক, তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান

দুই বছরেও অধিকাংশ অস্ত্রধারী পলাতক, তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান
দুই বছরেও অধিকাংশ অস্ত্রধারী পলাতক, তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান

জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার এবং সহিংস হামলার অভিযোগে চিহ্নিত বহু ব্যক্তি এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাগালের বাইরে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় জড়িত প্রায় ২০০ সশস্ত্র ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হলেও এ পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের অনেকেই দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর নাম রয়েছে।

জুলাই আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি বেসামরিক পোশাকে থাকা ব্যক্তিদের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছাত্র-জনতার দিকে গুলি ছুড়তে এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়। এসব ঘটনার ভিডিও ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (জনসংযোগ ও মাল্টিমিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বেআইনি সশস্ত্র কর্মকাণ্ডের অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে। যেসব ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধেও তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

তদন্তে উঠে এসেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর, বছিলা, কারওয়ান বাজার, মিরপুর, উত্তরা, সাভার, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলাকালে প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার এবং ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন সাবেক জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুরে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর অস্ত্র ব্যবহার ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাকে কলকাতায় দেখা যায়। তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, সরকার পতনের পর তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। একই এলাকার আরেক সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব ওরফে দরবেশ রাজীবের বিরুদ্ধেও গুলিবর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

মিরপুর-১০ এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য এস এম জাহিদের বিরুদ্ধে রিভলভার দিয়ে গুলি চালানোর অভিযোগ তদন্তে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনিও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে তথ্য রয়েছে।

ফেনীর মহিপাল এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সময় অত্যাধুনিক একে-৪৭ সদৃশ অস্ত্র ব্যবহার করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জিয়াউদ্দিন বাবলুর নাম উঠে এসেছে। একই ঘটনায় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকেও তদন্তে শনাক্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের মুরাদপুরে অস্ত্র হাতে গুলিবর্ষণের অভিযোগ রয়েছে যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হেলাল আকবর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এছাড়া জামাল খান এলাকায় সংঘটিত আরেক হামলার ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদুল ইসলামের নাম তদন্তে এসেছে।

নারায়ণগঞ্জে আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোও তদন্তে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শামীম ওসমান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

সাভারে আন্দোলন চলাকালে অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মেহেদী হাসান তুষার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এবং আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান সুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফেনীর ৪ আগস্টের সহিংস ঘটনায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগে একাধিক ব্যক্তির নাম তদন্তে উঠে এসেছে। ওই ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন এবং পরবর্তী সময়ে ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত আরও কয়েকজন এখনো গ্রেপ্তারের বাইরে রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্রের একটি অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র ভবিষ্যতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কা থেকে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

এদিকে জুলাই আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন পুলিশ স্থাপনা থেকে খোয়া যাওয়া অস্ত্রের সবগুলোও এখনো উদ্ধার হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, মোট ১ হাজার ৩১৮টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার বাকি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চায়না রাইফেল, বিডি রাইফেল, চায়না এসএমজি, এলএমজি, চায়না পিস্তল, ৯ বোরের পিস্তল, ১২ বোরের শটগান, সিঙ্গেল গ্যাস গান, ৩৮ মিলিমিটার টিয়ারগ্যাস লঞ্চার এবং সিগন্যাল পিস্তল। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


দুই বছরেও অধিকাংশ অস্ত্রধারী পলাতক, তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার এবং সহিংস হামলার অভিযোগে চিহ্নিত বহু ব্যক্তি এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাগালের বাইরে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় জড়িত প্রায় ২০০ সশস্ত্র ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হলেও এ পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের অনেকেই দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর নাম রয়েছে।

জুলাই আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি বেসামরিক পোশাকে থাকা ব্যক্তিদের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছাত্র-জনতার দিকে গুলি ছুড়তে এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়। এসব ঘটনার ভিডিও ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (জনসংযোগ ও মাল্টিমিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বেআইনি সশস্ত্র কর্মকাণ্ডের অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে। যেসব ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধেও তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

তদন্তে উঠে এসেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর, বছিলা, কারওয়ান বাজার, মিরপুর, উত্তরা, সাভার, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলাকালে প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার এবং ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন সাবেক জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুরে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর অস্ত্র ব্যবহার ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাকে কলকাতায় দেখা যায়। তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, সরকার পতনের পর তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। একই এলাকার আরেক সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব ওরফে দরবেশ রাজীবের বিরুদ্ধেও গুলিবর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

মিরপুর-১০ এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য এস এম জাহিদের বিরুদ্ধে রিভলভার দিয়ে গুলি চালানোর অভিযোগ তদন্তে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনিও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে তথ্য রয়েছে।

ফেনীর মহিপাল এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সময় অত্যাধুনিক একে-৪৭ সদৃশ অস্ত্র ব্যবহার করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জিয়াউদ্দিন বাবলুর নাম উঠে এসেছে। একই ঘটনায় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকেও তদন্তে শনাক্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের মুরাদপুরে অস্ত্র হাতে গুলিবর্ষণের অভিযোগ রয়েছে যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হেলাল আকবর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এছাড়া জামাল খান এলাকায় সংঘটিত আরেক হামলার ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদুল ইসলামের নাম তদন্তে এসেছে।

নারায়ণগঞ্জে আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোও তদন্তে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শামীম ওসমান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

সাভারে আন্দোলন চলাকালে অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মেহেদী হাসান তুষার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এবং আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান সুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফেনীর ৪ আগস্টের সহিংস ঘটনায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগে একাধিক ব্যক্তির নাম তদন্তে উঠে এসেছে। ওই ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন এবং পরবর্তী সময়ে ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত আরও কয়েকজন এখনো গ্রেপ্তারের বাইরে রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্রের একটি অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র ভবিষ্যতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কা থেকে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

এদিকে জুলাই আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন পুলিশ স্থাপনা থেকে খোয়া যাওয়া অস্ত্রের সবগুলোও এখনো উদ্ধার হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, মোট ১ হাজার ৩১৮টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার বাকি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চায়না রাইফেল, বিডি রাইফেল, চায়না এসএমজি, এলএমজি, চায়না পিস্তল, ৯ বোরের পিস্তল, ১২ বোরের শটগান, সিঙ্গেল গ্যাস গান, ৩৮ মিলিমিটার টিয়ারগ্যাস লঞ্চার এবং সিগন্যাল পিস্তল। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
দুই বছরেও অধিকাংশ অস্ত্রধারী পলাতক, তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান
0:00 0:00
1.0x