সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত অথচ অতি প্রয়োজনীয় পেশার মানুষগুলোর দাবি কিংবা স্বপ্নগুলোও সাধারণত তাদের মতো মতোই খুব বিনয়ী আর ছোট হয়। রোদ, বৃষ্টি আর ঝাপসা আবহাওয়া মাথায় নিয়ে দিনভর মানুষের জুতো সেলাই করে যাদের জীবন চলে, নিজেদের মাথার ওপর একটা মজবুত ছাদ গড়ার সামর্থ্যও অনেক সময় তাদের হয়ে ওঠে না।
আজ তেমনই এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো সিরাজগঞ্জের আমাইতাড়া বাজারে। বাজারের এক পরিচিত ও পরিশ্রমী জুতো সেলাই কারিগর (মুচি) ভাইয়ের দীর্ঘদিনের আবদার ছিল—রোদ-বৃষ্টির হাত থেকে মাথা বাঁচিয়ে একটু স্বস্তিতে কাজ করার জন্য অন্তত একটি ভালো মানের ছাতা।
অবশেষে তার সেই দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ সেই মেহনতী ভাইয়ের পাশে এসে দাঁড়ালেন মাননীয় সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক। তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে সেই অবহেলিত ভাইটির হাতে তুলে দেন কাঙ্ক্ষিত সেই ছাতাটি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “আমরা প্রতিদিন তাদের কাছে গিয়ে জুতো ঠিক করিয়ে আসি, কিন্তু তাদের কষ্টের কথা খুব কম মানুষই ভাবি। একজন সংসদ সদস্য এভাবে তৃণমূলের একজন শ্রমজীবী মানুষের একদম ছোট আবদারও গুরুত্বের সাথে পূরণ করেছেন, তা দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।”
ছাতাটি হাতে পাওয়ার পর সেই মেহনতী কারিগর ভাইয়ের মুখে ফুটে ওঠে এক চিলতে স্বস্তির হাসি। এমপি মহোদয়ের এই মানবিক আচরণ ও আন্তরিক উদ্যোগকে আমাইতাড়া বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত অথচ অতি প্রয়োজনীয় পেশার মানুষগুলোর দাবি কিংবা স্বপ্নগুলোও সাধারণত তাদের মতো মতোই খুব বিনয়ী আর ছোট হয়। রোদ, বৃষ্টি আর ঝাপসা আবহাওয়া মাথায় নিয়ে দিনভর মানুষের জুতো সেলাই করে যাদের জীবন চলে, নিজেদের মাথার ওপর একটা মজবুত ছাদ গড়ার সামর্থ্যও অনেক সময় তাদের হয়ে ওঠে না।
আজ তেমনই এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো সিরাজগঞ্জের আমাইতাড়া বাজারে। বাজারের এক পরিচিত ও পরিশ্রমী জুতো সেলাই কারিগর (মুচি) ভাইয়ের দীর্ঘদিনের আবদার ছিল—রোদ-বৃষ্টির হাত থেকে মাথা বাঁচিয়ে একটু স্বস্তিতে কাজ করার জন্য অন্তত একটি ভালো মানের ছাতা।
অবশেষে তার সেই দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ সেই মেহনতী ভাইয়ের পাশে এসে দাঁড়ালেন মাননীয় সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক। তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে সেই অবহেলিত ভাইটির হাতে তুলে দেন কাঙ্ক্ষিত সেই ছাতাটি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “আমরা প্রতিদিন তাদের কাছে গিয়ে জুতো ঠিক করিয়ে আসি, কিন্তু তাদের কষ্টের কথা খুব কম মানুষই ভাবি। একজন সংসদ সদস্য এভাবে তৃণমূলের একজন শ্রমজীবী মানুষের একদম ছোট আবদারও গুরুত্বের সাথে পূরণ করেছেন, তা দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।”
ছাতাটি হাতে পাওয়ার পর সেই মেহনতী কারিগর ভাইয়ের মুখে ফুটে ওঠে এক চিলতে স্বস্তির হাসি। এমপি মহোদয়ের এই মানবিক আচরণ ও আন্তরিক উদ্যোগকে আমাইতাড়া বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ সাধুবাদ জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন