বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী নীরবের পাশে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি
বগুড়া, ২৫ জুলাই ২০২৬:
আর্থিক সংকট যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে—এই বিশ্বাস থেকেই আবারও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান গ্রামের সেলিম রেজার ছেলে শফিউল ইসলাম নীরব। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় মেধাবী এই শিক্ষার্থী।
বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির নজরে এলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নীরবের খোঁজখবর নেন এবং তাকে সাক্ষাতের জন্য ডাকেন। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে প্রতিমন্ত্রী শিবগঞ্জ ইউএনও'র কার্যালয়ে নীরবের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনার যাবতীয় খরচ দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত নীরব প্রতিমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সহযোগিতা তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের পথকে সহজ করে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে তিনি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে চান।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী নীরবের পাশে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি
বগুড়া, ২৫ জুলাই ২০২৬:
আর্থিক সংকট যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে—এই বিশ্বাস থেকেই আবারও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান গ্রামের সেলিম রেজার ছেলে শফিউল ইসলাম নীরব। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় মেধাবী এই শিক্ষার্থী।
বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির নজরে এলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নীরবের খোঁজখবর নেন এবং তাকে সাক্ষাতের জন্য ডাকেন। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে প্রতিমন্ত্রী শিবগঞ্জ ইউএনও'র কার্যালয়ে নীরবের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনার যাবতীয় খরচ দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত নীরব প্রতিমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সহযোগিতা তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের পথকে সহজ করে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে তিনি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে চান।

আপনার মতামত লিখুন