শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ সেপ্টেম্বর শহীদ জিয়াউর রহমান হলে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্যের নির্দেশে কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমকে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরীফ এবং ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে ইবির শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলীনুর রহমানের হাতে হল শিবির নেতাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় রামদা, ছুরি, চাপাতি, জিআই পাইপ ও গাছের ডালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়। পরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের গেটে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ সেপ্টেম্বর শহীদ জিয়াউর রহমান হলে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্যের নির্দেশে কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমকে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরীফ এবং ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে ইবির শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলীনুর রহমানের হাতে হল শিবির নেতাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় রামদা, ছুরি, চাপাতি, জিআই পাইপ ও গাছের ডালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়। পরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের গেটে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন