ঢাকা    রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

বিশেষ সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় খাইরুল দেওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন বারবার উঠে আসছে তাঁর নাম?

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় খাইরুল দেওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন বারবার উঠে আসছে তাঁর নাম?
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় খাইরুল দেওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন বারবার উঠে আসছে তাঁর নাম?

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের আলোচনা সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে খাইরুল দেওয়ান নামটি। বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালের ফটোকার্ডে নেটিজেনদের মন্তব্যে বারবার রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম দেখা যাচ্ছে। অনেকেই তাঁকে ‘প্রিয় নেতা’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে দেখতে চাওয়ার কথাও লিখছেন।

খাইরুল দেওয়ানকে ঘিরে এই আলোচনার সূত্রপাত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার প্রক্রিয়ার সময় খাইরুল দেওয়ানও রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

তবে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র পাননি। মনোনয়ন ফরম না দেওয়ার প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে আরও তিনজনের সঙ্গে মানববন্ধন করেন তিনি। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ চেয়ে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণাও দেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পেলেও নিজের প্রচারণা চালিয়ে যান খাইরুল দেওয়ান। সংবাদ সম্মেলন আয়োজন থেকে শুরু করে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ব্যানার নিয়ে দীর্ঘদিন রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের সুযোগ দাবি করে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ এবং এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে নেটিজেনদের একটি অংশ বিষয়টিকে ট্রোল ও বিনোদনের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁর ওপর হামলার শিকার হওয়ার তথ্যও আলোচনায় আসে।

পরবর্তীতে খাইরুল দেওয়ান ‘স্বঘোষিত জনকল্যাণ পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ওই দলের ব্যানারে রাজধানীর পল্টন মোড়, তোপখানা রোড, হাইকোর্ট ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন স্থানে নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য না থাকায় তিনি গণমাধ্যমের কাছে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করার ইচ্ছার কথাও জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তাঁকে প্রথমে ‘রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী নেতা’ এবং পরে ‘প্রিয় নেতা’ নামে উল্লেখ করতে শুরু করেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু হলেই অনেক নেটিজেন মন্তব্যে খাইরুল দেওয়ানের নাম উল্লেখ করে রসাত্মক প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে খাইরুল দেওয়ান জানান, তাঁর পৈতৃক বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে। মুক্তিযুদ্ধের পর সেই বাড়ি ভেঙে যায়। তাঁর বাবা সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানার সরকারি কোয়ার্টারে তাঁর বেড়ে ওঠা। বর্তমানে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের আব্দুল্লাহপুর কুচিয়ামোড়া এলাকায়।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় খাইরুল দেওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন বারবার উঠে আসছে তাঁর নাম?

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের আলোচনা সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে খাইরুল দেওয়ান নামটি। বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালের ফটোকার্ডে নেটিজেনদের মন্তব্যে বারবার রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম দেখা যাচ্ছে। অনেকেই তাঁকে ‘প্রিয় নেতা’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে দেখতে চাওয়ার কথাও লিখছেন।

খাইরুল দেওয়ানকে ঘিরে এই আলোচনার সূত্রপাত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার প্রক্রিয়ার সময় খাইরুল দেওয়ানও রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

তবে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র পাননি। মনোনয়ন ফরম না দেওয়ার প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে আরও তিনজনের সঙ্গে মানববন্ধন করেন তিনি। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ চেয়ে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণাও দেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পেলেও নিজের প্রচারণা চালিয়ে যান খাইরুল দেওয়ান। সংবাদ সম্মেলন আয়োজন থেকে শুরু করে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ব্যানার নিয়ে দীর্ঘদিন রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের সুযোগ দাবি করে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ এবং এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে নেটিজেনদের একটি অংশ বিষয়টিকে ট্রোল ও বিনোদনের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁর ওপর হামলার শিকার হওয়ার তথ্যও আলোচনায় আসে।

পরবর্তীতে খাইরুল দেওয়ান ‘স্বঘোষিত জনকল্যাণ পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ওই দলের ব্যানারে রাজধানীর পল্টন মোড়, তোপখানা রোড, হাইকোর্ট ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন স্থানে নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য না থাকায় তিনি গণমাধ্যমের কাছে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করার ইচ্ছার কথাও জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তাঁকে প্রথমে ‘রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী নেতা’ এবং পরে ‘প্রিয় নেতা’ নামে উল্লেখ করতে শুরু করেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু হলেই অনেক নেটিজেন মন্তব্যে খাইরুল দেওয়ানের নাম উল্লেখ করে রসাত্মক প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে খাইরুল দেওয়ান জানান, তাঁর পৈতৃক বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে। মুক্তিযুদ্ধের পর সেই বাড়ি ভেঙে যায়। তাঁর বাবা সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানার সরকারি কোয়ার্টারে তাঁর বেড়ে ওঠা। বর্তমানে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের আব্দুল্লাহপুর কুচিয়ামোড়া এলাকায়।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় খাইরুল দেওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন বারবার উঠে আসছে তাঁর নাম?
0:00 0:00
1.0x