জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের পক্ষে গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে দেশ আবারও সাংবিধানিক সংকটে পড়তে পারে।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বর্ষা বিপ্লবের স্মৃতিচারণা ও নতুন রাজনৈতিক ধারা বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার এখন কেবল একটি প্রত্যাশা নয়, বরং এটি জনগণের দেওয়া সিদ্ধান্ত। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর গণভোটের ম্যান্ডেট অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে প্রচলিত পদ্ধতিতে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, এভাবে কাঠামোগত পরিবর্তন স্থায়ী হবে না; টেকসই পরিবর্তনের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন জরুরি।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপি, জামায়াত এবং ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন শক্তির মধ্যে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। তবে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রশ্নে কেউ যদি বিপরীত অবস্থান নেয়, তাহলে জনগণের স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়া হবে।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, তার ওই পদে থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা ছিল না।
তিনি অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহে সাহাবুদ্দিন প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করেননি। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ব্যাংক দখল ও অর্থপাচারের অভিযোগও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগগুলোর তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
আলোচনা সভায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও সারোয়ার তুষার, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শাখা সদস্যসচিব ইফতেহার উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাখা আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের পক্ষে গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে দেশ আবারও সাংবিধানিক সংকটে পড়তে পারে।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বর্ষা বিপ্লবের স্মৃতিচারণা ও নতুন রাজনৈতিক ধারা বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার এখন কেবল একটি প্রত্যাশা নয়, বরং এটি জনগণের দেওয়া সিদ্ধান্ত। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর গণভোটের ম্যান্ডেট অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে প্রচলিত পদ্ধতিতে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, এভাবে কাঠামোগত পরিবর্তন স্থায়ী হবে না; টেকসই পরিবর্তনের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন জরুরি।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপি, জামায়াত এবং ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন শক্তির মধ্যে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। তবে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রশ্নে কেউ যদি বিপরীত অবস্থান নেয়, তাহলে জনগণের স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়া হবে।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, তার ওই পদে থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা ছিল না।
তিনি অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহে সাহাবুদ্দিন প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করেননি। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ব্যাংক দখল ও অর্থপাচারের অভিযোগও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগগুলোর তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
আলোচনা সভায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও সারোয়ার তুষার, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শাখা সদস্যসচিব ইফতেহার উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাখা আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন