বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সামঞ্জস্য নেই। বিএনপি সরকারের সময়কার পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার দায়ও তার ওপর চাপানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এনসিপির এই মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে তার মানহানি করা হয়েছে।
সম্প্রতি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়নের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন আসিফ মাহমুদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা এবং এ বিষয়ে প্রচারিত দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের বাস্তবতা তুলে ধরতে বিভিন্ন তথ্য ও নথিপত্র উপস্থাপন করেন।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে তিনি প্রভাবশালী আমলাদের রোষানলে পড়েছেন।
তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে সরকার দুদককে ব্যবহার করছে। দলীয় লোকজন দিয়ে দুদক গঠন করে পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সামঞ্জস্য নেই। বিএনপি সরকারের সময়কার পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার দায়ও তার ওপর চাপানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এনসিপির এই মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে তার মানহানি করা হয়েছে।
সম্প্রতি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়নের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন আসিফ মাহমুদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা এবং এ বিষয়ে প্রচারিত দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের বাস্তবতা তুলে ধরতে বিভিন্ন তথ্য ও নথিপত্র উপস্থাপন করেন।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে তিনি প্রভাবশালী আমলাদের রোষানলে পড়েছেন।
তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে সরকার দুদককে ব্যবহার করছে। দলীয় লোকজন দিয়ে দুদক গঠন করে পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট

আপনার মতামত লিখুন