পটুয়াখালী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির উদ্যোগে বাস কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ না করার অভিযোগ নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাত্রীভোগান্তি নিরসনের উদ্দেশ্যে সভাটি আয়োজন করা হলেও, সভাকে ঘিরে সমিতির একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে।
স্থানীয় কয়েকজন পরিবহন মালিকের দাবি, সভায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমর্থক ও সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তির প্রভাব ছিল। তাদের অভিযোগ, সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির খন্দকারসহ নেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় এসব ব্যক্তিরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এদিকে, সভায় স্থানীয় সংবাদকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, গণমাধ্যমের উপস্থিতি ছাড়াই একপক্ষীয়ভাবে সভা পরিচালিত হয়েছে। তাদের দাবি, পরিবহন খাতে টিকিটের কালোবাজারি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং অনিয়ম বন্ধে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, নাসির খন্দকারের সহযোগীদের বিরুদ্ধে জাতীয় মহাসড়ক থেকে অবৈধভাবে টোল আদায়ের অভিযোগও করেছেন কয়েকজন পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তাদের দাবি, পৌরসভার নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ডের বাইরে মহাসড়ক থেকে মামুন নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে টোল আদায় করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, পৌর টোল কেবল নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ডের ভেতর থেকেই আদায় করার বিধান রয়েছে। মহাসড়ক থেকে টোল আদায় নিয়মবহির্ভূত এবং এর দায়ভার পৌরসভা বহন করবে না।
পরিবহন খাতের অনিয়ম এবং মহাসড়কে কথিত অবৈধ টোল আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বর্তমান সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারী পরিবহন মালিকরা। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির খন্দকার বা সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
পটুয়াখালী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির উদ্যোগে বাস কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ না করার অভিযোগ নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাত্রীভোগান্তি নিরসনের উদ্দেশ্যে সভাটি আয়োজন করা হলেও, সভাকে ঘিরে সমিতির একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে।
স্থানীয় কয়েকজন পরিবহন মালিকের দাবি, সভায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমর্থক ও সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তির প্রভাব ছিল। তাদের অভিযোগ, সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির খন্দকারসহ নেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় এসব ব্যক্তিরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এদিকে, সভায় স্থানীয় সংবাদকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, গণমাধ্যমের উপস্থিতি ছাড়াই একপক্ষীয়ভাবে সভা পরিচালিত হয়েছে। তাদের দাবি, পরিবহন খাতে টিকিটের কালোবাজারি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং অনিয়ম বন্ধে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, নাসির খন্দকারের সহযোগীদের বিরুদ্ধে জাতীয় মহাসড়ক থেকে অবৈধভাবে টোল আদায়ের অভিযোগও করেছেন কয়েকজন পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তাদের দাবি, পৌরসভার নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ডের বাইরে মহাসড়ক থেকে মামুন নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে টোল আদায় করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, পৌর টোল কেবল নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ডের ভেতর থেকেই আদায় করার বিধান রয়েছে। মহাসড়ক থেকে টোল আদায় নিয়মবহির্ভূত এবং এর দায়ভার পৌরসভা বহন করবে না।
পরিবহন খাতের অনিয়ম এবং মহাসড়কে কথিত অবৈধ টোল আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বর্তমান সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারী পরিবহন মালিকরা। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির খন্দকার বা সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন