মাদক ও চুরি মামলার অভিযুক্তসহ আটক ৫ উদ্ধার নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে মাদক ও চুরি মামলার বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযানে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধারের পাশাপাশি চুরি মামলার তদন্তে রিমান্ডে থাকা অভিযুক্তদেরও আটক করা হয়।
সারিয়াকান্দি থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত নিয়মিত অভিযানে থানার হাট ফুলবাড়ী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মো. এমদাদুল মন্ডল ওরফে এনদা (৪৫), এস আলম সৌখিন (২৫), নিয়মিত মামলার অভিযুক্ত মো. সাইদুল ইসলাম (৪২) এবং চুরি মামলার তদন্তে রিমান্ডে থাকা মো. হাবিবুর রহমান (৪২) ও মো. ফেরদৌস সরদার ওরফে শাহিন (২৬)-কে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এমদাদুল মন্ডল ওরফে এনদা ও এস আলম সৌখিনের কাছ থেকে/তাদের সংশ্লিষ্টতায় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের সংখ্যা নিয়ে প্রদত্ত তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে—শিরোনামে ২০ পিস এবং বিস্তারিত বিবরণে ৩০ পিস উল্লেখ করা হয়েছে। তাই মামলার নথি অনুযায়ী চূড়ান্ত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে এমদাদুল মন্ডলের বিরুদ্ধে ৬টি, হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৬টি এবং ফেরদৌস সরদার ওরফে শাহিনের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর বার্তা
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীর প্রতি অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, থানার জনবল সংকট ও বিশাল এলাকার কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়লেও সীমিত জনবল নিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে সারিয়াকান্দি থানা। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদক ও চুরি মামলার অভিযুক্তসহ আটক ৫ উদ্ধার নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে মাদক ও চুরি মামলার বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযানে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধারের পাশাপাশি চুরি মামলার তদন্তে রিমান্ডে থাকা অভিযুক্তদেরও আটক করা হয়।
সারিয়াকান্দি থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত নিয়মিত অভিযানে থানার হাট ফুলবাড়ী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মো. এমদাদুল মন্ডল ওরফে এনদা (৪৫), এস আলম সৌখিন (২৫), নিয়মিত মামলার অভিযুক্ত মো. সাইদুল ইসলাম (৪২) এবং চুরি মামলার তদন্তে রিমান্ডে থাকা মো. হাবিবুর রহমান (৪২) ও মো. ফেরদৌস সরদার ওরফে শাহিন (২৬)-কে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এমদাদুল মন্ডল ওরফে এনদা ও এস আলম সৌখিনের কাছ থেকে/তাদের সংশ্লিষ্টতায় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের সংখ্যা নিয়ে প্রদত্ত তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে—শিরোনামে ২০ পিস এবং বিস্তারিত বিবরণে ৩০ পিস উল্লেখ করা হয়েছে। তাই মামলার নথি অনুযায়ী চূড়ান্ত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে এমদাদুল মন্ডলের বিরুদ্ধে ৬টি, হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৬টি এবং ফেরদৌস সরদার ওরফে শাহিনের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর বার্তা
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীর প্রতি অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, থানার জনবল সংকট ও বিশাল এলাকার কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়লেও সীমিত জনবল নিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে সারিয়াকান্দি থানা। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন