নওগাঁর পোরশা উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ তৈরির উপকরণ ও তৈরি মদ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়নের দেশীপাড়া (আদিবাসী পাড়া) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে চিহ্নিত মাদক কারবারি লক্ষণ মুর্মু, সুমন কিসকু ও শ্রীমতি আরতি হাসদার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৭টি বড় সিলভারের পাতিল এবং ৯টি প্লাস্টিকের বালতিতে সংরক্ষিত মোট ৮০৫ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ (ওয়াশ/জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ৮ লিটার প্রস্তুত চোলাই মদও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আইনানুযায়ী জব্দকৃত আলামতের প্রয়োজনীয় নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে পরিবহনে অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে অবশিষ্ট ওয়াশ ও জাওয়া ধ্বংস করা হয়।
পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদকবিরোধী এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।”

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ তৈরির উপকরণ ও তৈরি মদ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়নের দেশীপাড়া (আদিবাসী পাড়া) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে চিহ্নিত মাদক কারবারি লক্ষণ মুর্মু, সুমন কিসকু ও শ্রীমতি আরতি হাসদার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৭টি বড় সিলভারের পাতিল এবং ৯টি প্লাস্টিকের বালতিতে সংরক্ষিত মোট ৮০৫ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ (ওয়াশ/জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ৮ লিটার প্রস্তুত চোলাই মদও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আইনানুযায়ী জব্দকৃত আলামতের প্রয়োজনীয় নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে পরিবহনে অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে অবশিষ্ট ওয়াশ ও জাওয়া ধ্বংস করা হয়।
পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদকবিরোধী এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।”

আপনার মতামত লিখুন