মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপির সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা মি. উনো ইয়োশিমাসা (Mr. UNO Yoshimasa) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও যোগাযোগ খাতে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য মি. উনো ইয়োশিমাসাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের ধারাবাহিক সহযোগিতা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে মেট্রোরেলসহ আধুনিক, নিরাপদ, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাপানের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও কারিগরি সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।
তিনি আরও বলেন, দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। একটি সমন্বিত, নিরাপদ, জনবান্ধব ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাপানের মতো উন্নয়ন সহযোগী দেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
শেখ রবিউল আলম আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপির সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা মি. উনো ইয়োশিমাসা (Mr. UNO Yoshimasa) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও যোগাযোগ খাতে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য মি. উনো ইয়োশিমাসাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের ধারাবাহিক সহযোগিতা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে মেট্রোরেলসহ আধুনিক, নিরাপদ, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাপানের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও কারিগরি সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।
তিনি আরও বলেন, দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। একটি সমন্বিত, নিরাপদ, জনবান্ধব ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাপানের মতো উন্নয়ন সহযোগী দেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
শেখ রবিউল আলম আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন