মঙ্গলবারের জুলাই পদযাত্রায় হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা ও দলীয় কর্মীরা হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন। তবে পথে একাধিক স্থানে তাদের যাত্রায় বাধা দেওয়া হয়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পুলিশি বাধার মুখে তারা হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নেন। এ সময় সেখানে মুষলধারে বৃষ্টি হলেও এনসিপির নেতারা বৃষ্টির মধ্যেই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান।
দলটির নেতারা জানান, বিকেল চারটার কিছু আগে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়।
ওই বহরে থাকা এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিনটি স্থানে তাদের আটকে দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে পুলিশ দিয়ে বাধা দেওয়া হয়, পরে রাস্তায় ট্রাক দাঁড় করিয়ে চাকা পাংচার করে এবং সর্বশেষ সড়কের ওপর ট্রাক্টর রেখে তাদের অগ্রযাত্রা থামানোর চেষ্টা করা হয়।
এদিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নিজের ফেসবুক পোস্টে জানান, তারা চতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জের পথে রয়েছেন।
শ্রীমঙ্গল থানার তদন্ত পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা পুলিশের পরামর্শ না মেনে শ্রীমঙ্গল অতিক্রম করেছেন।
অন্যদিকে, কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শ্রীমঙ্গলে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় বিকেল সাড়ে চারটায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল এনসিপি। তবে সংবাদ লেখা পর্যন্ত দলটির নেতাকর্মীরা সেখানে পৌঁছাতে পারেননি।
গাড়িবহরে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে বিজিবি মোতায়েন রয়েছে এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবারের জুলাই পদযাত্রায় হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা ও দলীয় কর্মীরা হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন। তবে পথে একাধিক স্থানে তাদের যাত্রায় বাধা দেওয়া হয়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পুলিশি বাধার মুখে তারা হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নেন। এ সময় সেখানে মুষলধারে বৃষ্টি হলেও এনসিপির নেতারা বৃষ্টির মধ্যেই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান।
দলটির নেতারা জানান, বিকেল চারটার কিছু আগে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়।
ওই বহরে থাকা এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিনটি স্থানে তাদের আটকে দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে পুলিশ দিয়ে বাধা দেওয়া হয়, পরে রাস্তায় ট্রাক দাঁড় করিয়ে চাকা পাংচার করে এবং সর্বশেষ সড়কের ওপর ট্রাক্টর রেখে তাদের অগ্রযাত্রা থামানোর চেষ্টা করা হয়।
এদিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নিজের ফেসবুক পোস্টে জানান, তারা চতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জের পথে রয়েছেন।
শ্রীমঙ্গল থানার তদন্ত পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা পুলিশের পরামর্শ না মেনে শ্রীমঙ্গল অতিক্রম করেছেন।
অন্যদিকে, কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শ্রীমঙ্গলে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় বিকেল সাড়ে চারটায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল এনসিপি। তবে সংবাদ লেখা পর্যন্ত দলটির নেতাকর্মীরা সেখানে পৌঁছাতে পারেননি।
গাড়িবহরে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে বিজিবি মোতায়েন রয়েছে এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন