২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত শাপলা চত্বর মামলার তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি হলো। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযান চলাকালে ব্যাপক প্রাণহানি, গুম, নির্যাতন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
আইনজীবী ও আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনা অনুসারে লতিফ সিদ্দিকীকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে তদন্তকারী সংস্থা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনও করতে পারে।
শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বিচারিক তদন্ত ও রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটি গ্রহণের পর পর্যায়ক্রমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। লতিফ সিদ্দিকীর গ্রেপ্তারকে সেই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত শাপলা চত্বর মামলার তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি হলো। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযান চলাকালে ব্যাপক প্রাণহানি, গুম, নির্যাতন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
আইনজীবী ও আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনা অনুসারে লতিফ সিদ্দিকীকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে তদন্তকারী সংস্থা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনও করতে পারে।
শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বিচারিক তদন্ত ও রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটি গ্রহণের পর পর্যায়ক্রমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। লতিফ সিদ্দিকীর গ্রেপ্তারকে সেই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন