সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, সংসদে তিনি বিষয়টি উত্থাপন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার ভাষ্য, সংসদে ইচ্ছামতো কথা বলা যায় না; আগে হুইপের কাছ থেকে সময় বরাদ্দ নিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সংসদে যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে জুলাই আন্দোলনের সময় কতজনকে মানুষ রাস্তায় দেখেছে, সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ। তার দাবি, তার মুখ মানুষ সেই সময় দেখেছে এবং তার বাড়িতে ভাঙচুর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
তিনি বলেন, “জুলাইয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। আপনাদের চ্যানেল রাত ২টায় আমার বাড়িতে গেছে।”
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, তিনি ফেসবুক লাইভও করেছিলেন। তার ভাষায়, মানুষের স্মৃতিশক্তি অনেক সময় জেলিফিশের মতো হয়ে যায়, ফলে অনেক বিষয় মানুষ ভুলে যেতে চায়। তিনি আবারও দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় বিএনপির নেতারা গর্তে, ডোবায় ও খালে ছিলেন এবং প্রথমে তারা বলেছিলেন, এই আন্দোলন তাদের নয়। পরে তারা একটি পর্যায়ে আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল। তার মতে, এটাই ছিল ওই আন্দোলনে বিএনপির অবস্থান। কিন্তু এখন সেই আন্দোলনের কৃতিত্ব নেওয়া নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে।
বিএনপি তাদের ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পেরেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, এর উত্তর বিএনপির ত্যাগী নেতারাই দেবেন। তিনি বলেন, নিজের বিষয়ে তিনি কথা বলতে পারেন, তবে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবেন না।
সূত্র: যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, সংসদে তিনি বিষয়টি উত্থাপন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার ভাষ্য, সংসদে ইচ্ছামতো কথা বলা যায় না; আগে হুইপের কাছ থেকে সময় বরাদ্দ নিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সংসদে যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে জুলাই আন্দোলনের সময় কতজনকে মানুষ রাস্তায় দেখেছে, সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ। তার দাবি, তার মুখ মানুষ সেই সময় দেখেছে এবং তার বাড়িতে ভাঙচুর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
তিনি বলেন, “জুলাইয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। আপনাদের চ্যানেল রাত ২টায় আমার বাড়িতে গেছে।”
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, তিনি ফেসবুক লাইভও করেছিলেন। তার ভাষায়, মানুষের স্মৃতিশক্তি অনেক সময় জেলিফিশের মতো হয়ে যায়, ফলে অনেক বিষয় মানুষ ভুলে যেতে চায়। তিনি আবারও দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় বিএনপির নেতারা গর্তে, ডোবায় ও খালে ছিলেন এবং প্রথমে তারা বলেছিলেন, এই আন্দোলন তাদের নয়। পরে তারা একটি পর্যায়ে আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল। তার মতে, এটাই ছিল ওই আন্দোলনে বিএনপির অবস্থান। কিন্তু এখন সেই আন্দোলনের কৃতিত্ব নেওয়া নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে।
বিএনপি তাদের ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পেরেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, এর উত্তর বিএনপির ত্যাগী নেতারাই দেবেন। তিনি বলেন, নিজের বিষয়ে তিনি কথা বলতে পারেন, তবে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবেন না।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন