রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে যোগদানের তিন মাস পার হলেও এখনো দায়িত্ব বুঝে পাননি নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী দিবাকর রায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) থেকে শূন্য পদে পদায়ন করা হলেও তার যোগদানপত্র গ্রহণ না করায় তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলীর শূন্য পদে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী দিবাকর রায়কে পদায়ন করে এলজিইডি। পরে ২৩ এপ্রিল তিনি ছাড়পত্র পান এবং ৫ মে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে যোগদান করতে আসেন। তবে যোগদানের তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখনো তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
এর আগে নির্বাহী প্রকৌশলীর পদটি এক বছরের বেশি সময় শূন্য থাকায় জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী আবু জাফর মো. এরশাদুল হক মন্ডলকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার অনুপস্থিতিতে সহকারী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কান্তি দেওয়ানকেও ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদারের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী বিরল বড়ুয়াকে অব্যাহতি দিয়ে সহকারী প্রকৌশলী আবু জাফর মো. এরশাদুল হক মন্ডলকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এদিকে, দিবাকর রায় বলেন, “আমি গত ৫ মে ২০২৬ মঙ্গলবার যোগদান করতে আসি। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জুন মাসের কিছু পেন্ডিং কাজের কথা বলে জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলা হয়। পরবর্তীতে কয়েক দফা যোগদানের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। তিন মাস ধরে দায়িত্ব না পাওয়ায় বেতন-ভাতা নিয়েও সংকট তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাহী প্রকৌশলীর শূন্য পদে আমাকে পদায়ন করা হয়েছে। এরপরও যোগদানপত্র গ্রহণ না করায় বিষয়টি জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার বলেন, “এটা প্রশাসনিক ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি কাউকে কিছু বলব না। এটি জেলা পরিষদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।”
জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম বলেন, “যোগদানপত্র গ্রহণ ও এন্ডোর্স করার বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয় করে থাকেন। দিবাকর রায় যোগদানের জন্য এসেছেন বিষয়টি আমি জানি। তবে তার যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে আমার কাছে তথ্য নেই।”
এদিকে, নির্বাহী প্রকৌশলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকার পর নতুন কর্মকর্তা পদায়ন হলেও তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার বিষয়টিকে দুরভিসন্ধিমূলক বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে যোগদানের তিন মাস পার হলেও এখনো দায়িত্ব বুঝে পাননি নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী দিবাকর রায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) থেকে শূন্য পদে পদায়ন করা হলেও তার যোগদানপত্র গ্রহণ না করায় তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলীর শূন্য পদে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী দিবাকর রায়কে পদায়ন করে এলজিইডি। পরে ২৩ এপ্রিল তিনি ছাড়পত্র পান এবং ৫ মে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে যোগদান করতে আসেন। তবে যোগদানের তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখনো তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
এর আগে নির্বাহী প্রকৌশলীর পদটি এক বছরের বেশি সময় শূন্য থাকায় জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী আবু জাফর মো. এরশাদুল হক মন্ডলকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার অনুপস্থিতিতে সহকারী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কান্তি দেওয়ানকেও ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদারের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী বিরল বড়ুয়াকে অব্যাহতি দিয়ে সহকারী প্রকৌশলী আবু জাফর মো. এরশাদুল হক মন্ডলকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এদিকে, দিবাকর রায় বলেন, “আমি গত ৫ মে ২০২৬ মঙ্গলবার যোগদান করতে আসি। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জুন মাসের কিছু পেন্ডিং কাজের কথা বলে জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলা হয়। পরবর্তীতে কয়েক দফা যোগদানের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। তিন মাস ধরে দায়িত্ব না পাওয়ায় বেতন-ভাতা নিয়েও সংকট তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাহী প্রকৌশলীর শূন্য পদে আমাকে পদায়ন করা হয়েছে। এরপরও যোগদানপত্র গ্রহণ না করায় বিষয়টি জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার বলেন, “এটা প্রশাসনিক ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি কাউকে কিছু বলব না। এটি জেলা পরিষদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।”
জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম বলেন, “যোগদানপত্র গ্রহণ ও এন্ডোর্স করার বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয় করে থাকেন। দিবাকর রায় যোগদানের জন্য এসেছেন বিষয়টি আমি জানি। তবে তার যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে আমার কাছে তথ্য নেই।”
এদিকে, নির্বাহী প্রকৌশলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকার পর নতুন কর্মকর্তা পদায়ন হলেও তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার বিষয়টিকে দুরভিসন্ধিমূলক বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন